২০ জানুয়ারি ২০১৯, ৭ মাঘ ১৪২৫

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages

দাম্পত্যে যৌনতায় নিরাসক্তির কারণ এই?

ডেস্ক রিপোর্ট, হেলথ নিউজ | ২২ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৩:১২ | আপডেটেড ৮ জানুয়ারি ২০১৯, ১১:০১

p

দম্পতিদের যৌনতায় নিরাসক্তি নিয়ে সারাবিশ্বেই এখন আলোচনা, আর তার কারণ হিসেবে স্মার্টফোনকে দায়ী করছেন গবেষকরা।

চিকিৎসকদের মতে, সুস্থ যৌনতা সম্পর্কের ভিতকেই কেবল মজবুতই করে না; মানসিক অবসাদ দূর, প্রাণশক্তি বাড়াতেও রাখে ভূমিকা।

কিন্তু সাম্প্রতিক বিশ্বে দম্পতিদের যৌনতায় নিরাসক্তি দেখে যুক্তরাষ্ট্রে এক জরিপ চালিয়ে স্মার্টফোনকে এর কারণ হিসেবে খুঁজে পাওয়া গেছে।  

জরিপের দেখা যায়, স্মার্টফোনে সোশাল মিডিয়ার মোহে সঙ্গীর দিকে মন দেওয়ার সময়ই থাকছে না কারও। এটা নানা সামাজিক ও সাংসারিক জটিলতাও তৈরি করছে।

প্রায় ২ হাজার দম্পতির চালানো এই জরিপে দেখা গেছে, প্রায় তিন-চতুর্থাংশই একান্ত নিজস্ব সময়েও যৌনতার চেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকেন মোবাইল ফোনে। শুধু তা-ই নয়, নারী-পুরুষ নির্বিশেষ অধিকাংশের দাবি, ঘুমোতে যাওয়ার আগে জীবনসঙ্গীর মুখ নয়, মোবাইল দেখেই চোখ বোজেন তারা। এমনকি, কারও কারও একই বাড়িতে থেকেও পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম হয়ে উঠছে স্মার্টফোনটি।

জরিপে অংশ নেওয়া প্রায় ৫৫ শতাংশের মত, কেবল যৌনজীবনই নয়, অত্যধিক ফোন ব্যবহারের কারণেই নিজেদের জীবনসঙ্গীর সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্কও ব্যাহত হচ্ছে। ৩৫ শতাংশ জানাচ্ছে, মোবাইল আসক্তির কারণে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক নেই বহু দিন ধরেই।

কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার যুক্তরাষ্ট্রের এই জরিপের তথ্য তুলে ধরে ভারতের ক্ষেত্রে একই প্রবণতার চিত্র তুলে ধরেছে।

 ভারতের মনোবিদ জয়রঞ্জন রামের মতে, ‘‘কেবল মার্কিন মুলুকে নয়, এর আগেও বিভিন্ন সময় নানা দেশেই এই ধরনের সমীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে, এবং তাতে এমনই সব ফলাফল বেরিয়ে এসেছে, যা সমাজ ও সংসার জীবন দু’ক্ষেত্রেই বেশ বিপদের।”

মোবাইলে বুঁদ হয়ে থাকতে পারার যে ক্ষমতা তৈরি হচ্ছে, তা ভবিষ্যতে সমাজকে আরও বড় বিপদের দিকে নিয়ে যাবে বলে এই মনোবিদের আশঙ্কা।

মনস্তত্ত্ববিদ ঈশাণী শর্মা বলেন, “আজকাল মানুষ নিজেকে নিয়ে এত বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়ছে যে সেখানে সামাজিক বন্ধন, দায়-দায়িত্ব এমনকি সন্তানের দায়ভারও ফিকে হয়ে আসছে।

“নিজের জগৎ, নিজস্ব ব্যস্ততা ও জীবনের দ্রুততার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে গিয়ে বাড়ছে অবসাদ। আর তা থেকে চটজলদি মুক্তি খুঁজতে মানুষ আঁকড়ে ধরছে নানা সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মকে। তার ফলেই যৌনতার মতো আবশ্যিক চাহিদাতেও কোপ পড়ছে।”

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

            গর্ভপাত এড়াতে যা জানা চাই

300-250
promo3