১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages

মর্নিং সিকনেস দূর করার টিপস

ডেস্ক রিপোর্ট, হেলথ নিউজ | ৩০ জুন ২০১৮, ১৩:০৬ | আপডেটেড ৩০ জুন ২০১৮, ০১:০৬

IMG_3711

গর্ভাবস্থার খুব সাধারণ একটি সমস্যা হলো মর্নিং সিকনেস। গর্ভবতী নারীদের প্রায় অর্ধেকেরই এ সমস্যা হয়। সাধারণত গর্ভধারণের ৬ সপ্তাহ থেকে শুরু হয় মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, বমি হওয়া এবং ১২ সপ্তাহ হতে হতে তা ঠিক হয়ে যায়।

এ সমস্যাগুলো খুব গুরুতর না হলে এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।

এ সমস্যা যে কেবল সকালেই হয় তা না। অনেকেরই সারাদিন ধরে বমি বমি ভাব থাকতে পারে। মর্নিং সিকনেসের সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে সাধারণত এস্ট্রোজেন হরমোন লেভেল বেড়ে যাওয়া, রক্তের সুগার লেভেল কমে যাওয়া এবং এসময় বিভিন্ন কিছুর গন্ধের কারণে এ সমস্যা হতে পারে।

গর্ভাবস্থার শুরুতেই এ ধরনের সমস্যাকে তেমন একটা খারাপ কিছু মনে করেন না চিকিৎসকরা। তবে কারো যদি এ সমস্যার সঙ্গে দুই পাউন্ডের মতো ওজন কমে যায়, রক্ত বমি হয়, দিনে চারবারের বেশি বমি হয়, একদমই তরল খাবার খেতে না পারে তাহলে অবশ্যই তাকে যেতে হবে ডাক্তারের কাছে।

প্রচুর বিশ্রাম

রাতে ভালো ঘুম হওয়া খুব জরুরি। দিনের বেলাতেও ঘুমানো যেতে পারে। তবে খাবার খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়া ঠিক নয়। এতে বমি বমি ভাব বাড়তে পারে। সময়ের সাথে সাথে শরীরের আকৃতিতে পরিবর্তন আসে। আর তখন ঘুমের সমস্যা দূর করতে পিঠের পেছনে বালিশ ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঘুমের ওষুধ খাওয়া মোটেও ঠিক নয়।

চিন্তাভাবনা করে খাবার খাওয়া

চর্বি ও মশলাযুক্ত খাবার, ক্যাফেইন পাকস্থলির এসিড নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে গর্ভাবস্থার কয়েক মাস যাওয়ার পর গর্ভস্থ শিশু যখন কিছু বড় হয় তখন সে পেটের ভিতরে চাপ দেওয়ায় এমনটা বেশি ঘটে। বমি হওয়ার প্রবণতা কমাতে অল্প অল্প করে খাবার খেতে হবে। পেট খালি থাকলে বমি বমি ভাব আরো বাড়তে পারে। সকালে বিছানা থেকে ওঠার আগেই লবণাক্ত হালকা কিছু খাবার বা বিস্কুট খেলে বমি বমি ভাব কমতে পারে। সকালের নাস্তায় কলা বা অন্য কোনো ফল খেলে এতে থাকা পটাসিয়াম মর্নিং সিকনেস কমাতে সহায়তা করে। এছাড়া শর্করা হিসেবে আলু বা টোস্ট খেলেও উপকার পাওয়া যায়। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে উচ্চ প্রোটিনযুক্ত স্ন্যাক্স খেলে রাতভর রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা ঠিক থাকবে।

শারীরিক ও মানসিকভাবে সক্রিয় থাকা

শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকলে গর্ভকালীন বমি বমি ভাব কমতে পারে। নিজেকে ব্যস্ত রাখলে মন থেকেও এ অসুস্থতা দূর হয়। বই পড়া, পাজল করা, টেলিভিশন দেখা, তাস খেলা বা কিছুটা সময় বাইরে হেঁটে এল উপকার পাওয়া সম্ভব।

পর্যাপ্ত পরিমাণে তরল নেওয়া

সুস্বাস্থ্যের জন্য শরীর আর্দ্র রাখা জরুরি বিশেষ করে গর্ভাবস্থায়। বমি বমি ভাব থাকলে সারাদিন আট গ্লাস পানি খাওয়া কষ্ট হলেও মনে রাখতে হবে, শরীরে পানি কমে গেলে এ সমস্যা আরো বাড়তে পারে। পানির সঙ্গে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ও মধু মিশিয়ে খওয়া যেতে পারে।

আদা

হজমশক্তি বাড়াতে ও পেটের অস্বস্তি কমাতে আদার জুড়ি নেই। এটা বমি বমি ভাব কমাতে পারে বলেও গবেষণায় জানা গেছে। পানি বা চায়ে কাঁচা আদা মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। জিঞ্জার ব্রেড বা জিঞ্জার কুকিজ খেলেও উপকার পাওয়া যাবে। এছাড়া পেপারমেন্ট টি এসমসয় ভালো কাজে দেয়।

আরামদায়ক পোশাক

আরামদায়ক ও ঢিলেঢালা পোশাক না পরলে এসময় শরীরের নানা ধরণের অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। তাই এ বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে।

ভিটামিন ও মিনারেলস

চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতে পারে। আর ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা কিছু খেয়ে ভিটামিন ওষূধ খাওয়াটাই বেশি ভালো। ভিটামিন বি৬ বমিবমি ভাব কমায়। এসময় আয়রন ট্যাবলেটও খেতে দেওয়া হয়। ভিটামিন সি যুক্ত কোনো পানীয় বা খাবারের সঙ্গে আয়রন ট্যাবলেট খেলে আয়রনটা শরীরে ভালোভাবে শোষিত হয়।

কম্পিউটারের ব্যবহার কমানো

কম্পিউটার মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণেও বাড়তে পারে মর্নিং সিকনেস। যদি কম্পিউটারে কাজ করতেই হয় তাহলে চোখের ওপর চাপ কমাতে এর ব্যাকগ্রাউন্ড বা রং পরিবর্তন করে নেওয়া ভালো।

গন্ধের প্রতি খেয়াল রাখা

কোনো কোনো জিনিসের গন্ধের কারণেও বাড়তে পারে মর্নিং সিকনেস। লেবু ও রোজমেরির গন্ধে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে। কোন কোন জিনিসের গন্ধে শরীর বেশি খারাপ হচ্ছে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

এসিডিটি কমানো

এসিডিটির জন্যও বমি বমি ভাব ও বমি হতে পারে। পাকস্থলীর এ এসিড কমাতে চিকিৎসক ওষুধ দিতে পারেন।
আমেরিকান প্রেগনেন্সি এসোসিয়েশন (এপিএ) ঠাণ্ডা খাবার, সাধারণ ফল ও সবজি, মুরগির স্যুপ ইত্যাদি খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে গর্ভাবস্থায়।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

            শীতের শুরুতে শিশুর যত্ন

300-250
promo3