২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১১ বৈশাখ ১৪২৬

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages

অভিযানের পর দিনে থাকছে ডাক্তার, রাতে মিলছে মিলছে না

তারেক মাহমুদ,রাজশাহী প্রতিনিধি হেলথ নিউজ | ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৯:০২ | আপডেটেড ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৭:০২

Khulna-health-unit

রাজশাহীর গোদাগাড়ী ৩১ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসকদের থাকার জন্য তিন তলা একটি কোয়ার্টার আছে, কিন্তু’সেখানে কেউ থাকেন না।

কোয়ার্টার ফাঁকা থাকায় দিন দিন কোয়ার্টারটি ব্যবহারের অনুপোযোগী হয়ে পড়ছে। আর বিনা চিকিৎসায় রাত পার করছেন হাসপাতালের রোগীরা।

রাজশাহী জেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে গোদাগাড়ী উপজেলা সদরের বিশেষায়িত এই হাসপাতালটিতে গত ২৩ জানুয়ারি অভিযান চালিয়েছিল দুর্নীতি দমন কমিশন। সেদিন হাসপাতালের প্রধান কর্মকর্তা ডা. ওয়াহিদা খাতুনই হাসপাতালে ছিলেন না।

অভিযানের পর দিনের দৃশ্য পাল্টেছে। দিনে বহির্বিভাগে রোগী নিয়ে ব্যস্ত থাকেন চিকিৎসকরা। কিন্তু রাতে এখনও এখানে চিকিৎসকের দেখা পাচ্ছে না রোগীরা। এ সময় রোগীদের ভরসা হাসপাতালের নার্স এবং উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসাররা।

তারা জানান, নতুন রোগী ভর্তি হতে এলে তারাই প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। ভর্তি থাকা রোগীদের অবস্থার অবনতি হলে তারা চিকিৎসকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করে পরামর্শ নেওয়ার চেষ্টা করেন। সেটা সম্ভব না হলে তারা নিজেরাই ওষুধপত্র দেন। আর রোগীর অবস্থার খুব বেশি অবনতি হলে পাঠিয়ে দেওয়া হয় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

হাসপাতালটির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ওয়াহিদা খাতুন ছাড়াও আবাসিক চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত আরও তিনজন। তারা হলেন ডা. শওকত আলী, ডা. তৌফিক রেজা ও ডা. নাজমুল কবীর।

এদের মধ্যে ডা. নাজমুলকে এই হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে দুদকের অভিযানের পর গত ২৪ জানুয়ারি। তবে এই চারজন চিকিৎসকের একজনও কোয়ার্টারে থাকেন না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ডা. শওকত আলীর বাড়ি গোদাগাড়ী উপজেলার সিঅ্যান্ডবি এলাকায়। সেখান থেকেই তিনি হাসপাতালে যাতায়াত করেন। অন্য তিনজন থাকেন রাজশাহী শহরে। তারা সবাই সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগী দেখে বাড়ি চলে যান। এর আগে সকালে একবার দুটি ওয়ার্ডে গিয়ে ভর্তি থাকা রোগীদের দেখে চিকিৎসা দেন।

স্থানীয়রা বলছেন, দুদকের অভিযানের আগে হাসপাতালটিতে দিনেও চিকিৎসক পাওয়া যেত না। এখন দিনে পাওয়া যায়। কিন্তু রাতের অবস্থা আগের মতোই রয়েছে। তাই রোগীরাও তেমন ভর্তি থাকতে চান না সবাই রাজশাহী শহরে চিকিৎসা নেন।

গত রোববার দুপুরে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, এখানে নারী ও পুরুষের দুটি ওয়ার্ডে ৬-৭ জন রোগী। এদের একজন উপজেলার দ্বিগ্রামের বাসিন্দা মহিরুদ্দিন (৮০)। তিনি হেলথ নিউজকে বলেন, চার দিন ধরে ভর্তি থাকলেও রাতে চিকিৎসকের দেখা পাননি। শুধু সকালে একজন চিকিৎসক গিয়ে তাকে দেখে যান।

হাসপাতালটির কোয়ার্টারের সামনে গিয়ে দেখা যায়, সেটি তালাবদ্ধ। তাই ভেতরের অবস্থা দেখা যায়নি। তবে হাসপাতালের একজন কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে হেলথ নিউজকে বলেন, “ভেতরে সব ঠিকঠাক আছে। শুধু কিছু জায়গার রং চটেছে। তার অজুহাতেই চিকিৎসকেরা এখানে থাকতে চান না।”

এ বিষয়ে জানতে বেলা ৩টার সময় হাসপাতালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ওয়াহিদা খাতুনকে ফোন করা হয়। ডা. ওয়াহিদা বলেন, তিনি গাড়িতে। হাসপাতাল থেকে বাড়ি যাচ্ছেন।

তিনি হেলথ নিউজকে বলেন, “দীর্ঘ দিন ধরেই কোয়ার্টারে কেউ থাকেন না। তাই সেটি এখন থাকার অনুপোযোগী। সেজন্য কেউ থাকেন না। কিছু সংস্কার কাজ করা হলে কোয়ার্টারে থাকা যাবে।”

জেলার সিভিল সার্জন ডা. সঞ্জিত কুমার সাহা হেলথ নিউজকে বলেন, “বিষয়টি আমি শুনেছি। বেশি কিছু না, অল্প কিছু টাকা খরচ করে প্লাস্টার, রং করে দিলেই চিকিৎসকরা থাকতে পারবেন। এটি করে দেয়ার জন্য আমি স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরকে জানিয়েছি।”

যতদিন এটা না হচ্ছে ততদিন প্রয়োজনে আশপাশে বাসা ভাড়া করে থাকার জন্য চিকিৎসকদের নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান সিভিল সার্জন।

তিনি বলেন, “রাতে চিকিৎসক না থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

              শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য, কী করবেন?

300-250
promo3