করোনা ভাইরাস: আইইডিসিআরে মেইল করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ১৯ মার্চ ২০২০, ১৬:০৩ | আপডেটেড ১৯ মার্চ ২০২০, ০৪:০৩

liver

করোনাভাইরাস বিষয়ে যোগাযোগ করতে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) নতুন আরও একটি হটলাইন, ই–মেইল ও ফেসবুক পেজ চালু করেছে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ কোভিড-১৯ বিষয়ে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, “আমাদের বেশ কয়েকটি হটলাইন নম্বর রয়েছে। আইইডিসিআরের ১৭টি। কিন্তু এই নম্বরগুলোয় আইভিআর যুক্ত না থাকায় অনেকেরই যোগাযোগ করতে অসুবিধা হচ্ছিল। সে জন্য করোনাভাইরাস বিষয়ে আইইডিসিআরের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে ই–মেইল ও ফেসবুকের মাধ্যমে।’

করোনাভাইরাস বিষয়ে যোগাযোগ করতে আইইডিসিআরের ফেসবুক পেজ-Iedcr,COVID19 Control Room, এ ছাড়া ই–মেইল ঠিকানা- iedcrcovid19@gmail.com

আইইডিসিআর আরও একটি হটলাইন নম্বর চালু করেছে: ০১৯৪৪৩৩৩২২২।

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

এমন ভারতবর্ষ দেখেনি কেউ আগে

এমন ভারতবর্ষ দেখেনি কেউ আগে

দেশে করোনায় মৃত্যুর মিছিলে ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ

সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ

কমছে মৃত্যু, বাড়ছে স্বস্তি

খালি হাতেই পার হতে হবে দ্বিতীয় ঢেউ !

সর্বত্রই এখনো অসহায় আত্মসমর্পণ

মৃত্যু পৌণে ১২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে

পৌণে ১২ লাখ মানুষ মারা গেলেন

করোনায় মৃত ৫ হাজার ছাড়ালো

করোনাভাইরাসে পৃথিবীর ৮ লাখ মানুষ নেই

সাড়ে ৭ লাখের বেশি মানুষ মারা গেলেন করোনায়

বিশ্বে একদিনেই ২ লাখ আক্রান্ত

আক্রান্ত ও মৃত্যু বাড়ছেই

নির্ধারিত মুল্যে আইসিডিডিআরবিতে করোনা টেষ্ট

২৪ ঘন্টায় প্রায় ৪ হাজার আক্রান্ত

৩৮ থেকে বেড়ে মৃত্যু ৪৩

ব্রাজিলে একদিনেই শনাক্ত ৫৪ হাজারের বেশি

সপ্তাহ ধরেই মৃত্যু কমপক্ষে ৩৫

মৃত্যু নেমেছে ৪৫ থেকে ৩৭ জনে

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3