২৫ মে ২০১৯, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages

গ্যাস্ট্রিকের ঘরোয়া সমাধান

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ২০ মার্চ ২০১৮, ০৮:০৩ | আপডেটেড ২ জুন ২০১৮, ০৩:০৬

IMG_9114

গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটি আমাদের দেশে সাধারণ একটা রোগ , নিত্য দিনের সমস্যা। এমন লোক খুব কম যাদের এ সমস্যা নেই।

গ্যাস্ট্রিকের কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ হলো, জিহ্বা সাদা বর্ণ ধারণ, তলপেটে গ্যাস উৎপন্ন হওয়া, পেট ব্যাথা করা, বুক জ্বালা পোড়া করা।

গ্যাস্ট্রিকের কারণ:

  • অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার খাওয়া
  • ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ
  • ভাজাপোড়া খাবার বেশি খাওয়া
  • অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যালকোহল গ্রহণ
  • খাবারে অতিরিক্ত পরিমাণে লবণ এবং সসের ব্যাবহার
  • মানসিক চাপ
  • খাবার গ্রহণে অনিয়ম
  • কিডনিতে পাথর কিংবা আলসার।
  • ফুড পয়জনিং

গ্যাস্ট্রিক সমস্যার ঘরোয়া সমাধান

পুদিনা পাতা: হালকা চায়ের লিকারে কয়েকটি পুদিনা পাতা ছেড়ে দিন। প্রতিদিন খান এসিডিটি ও বদহজম দূর হবে। এছাড়া সবুজ চা, তুলসি চা, পাকস্থলীর হজম শক্তি বৃদ্ধি করে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করে।

গুড়: গুড় বুক জ্বালাপোড়া এবং এসিডিটি থেকে মুক্তি দিতে পারে। যখন বুক জ্বালাপোড়া করবে তখন একটুকরো গুড় মুখে নিয়ে রাখুন যতক্ষণ না সম্পূর্ণ গলে যায়। তবে ডায়বেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে এটি নিষিদ্ধ।

 জিরা:  জিরা ভেজে আধা গুড়া করে একগ্লাস পানিতে মিশিয়ে প্রতিবার খাবারের সময় খান ।

ডাবের পানি: ডাবের পানি গ্যাস্ট্রিকের খুব ভালো পথ্য। ডাবের পানিতে আছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন এবং মিনারেল। তাই নিয়মিত ডাবের পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

লং: গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় লং হতে পারে সঠিক পথ্য। দুইটি লং মুখে নিয়ে চিবালে এর রস অনেকটা উপকারে আসতে পারে আপনার।

মাঠা: দুধ এবং মাখন দিয়ে তৈরি মাঠা আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয়। এসিডিটি দূর করতে টনিকের মতো কাজ করে মাঠা। স্বাদ বাড়াতে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়া নিন।

লেবুর রস: কুসুম গরম পানিতে দুই টুকরা লেবুর রস ও লবন মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনি আরাম বোধ করবেন।

হলুদের পাতা: রান্নার জন্য যে হলুদ ব্যবহার হয় তার পাতা গ্যাস্ট্রিকের খুব ভালো পথ্য। হলুদের পাতার রস এককাপ দুধের সাথে মিশিয়ে নিয়মিত পান করলে গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায়।

আলুর রস
আলু চিপে অথবা ব্লেন্ড করে রস বের করুন। তারপর আধা কাপ পরিমাণ রস প্রতিদিন খাবারের আগে খান।

আদার রস: প্রতিবেলা খাবার পর একটুকরো আদা চিবিয়ে খান, পেটে গ্যাস হবে না। কাঁচা আদা খেতে সমস্যা হলে রান্নায় বেশি পরিমাণ আদা ব্যবহার করুন।

রসুনের রস: রসূন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তির জন্য একটি চমৎকার পথ্য। রসূন কুঁচি কুঁচি করে কেটে তাতে কালোজিরা এবং অল্প পরিমাণ মরিচ নিয়ে পানিতে ফুটান।ঠাণ্ডা হলে খেয়ে নিন। ভালো ফল পেতে প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার খান।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার: এককাপ গরম পানিতে দুই চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। খেয়ে নিন। হাতের কাছে অ্যাপল সিডার ভিনেগার না থাকলে সাধারণ ভিনেগার দিয়েও খেতে পারবেন।

গ্যাস্ট্রিক থাকলে প্রচুর পরিমাণ পানি খান। পানি খেতে হবে খালি পেটে। খাবার  শেষ করেই পানি খাবেন না , খাবার শেষ করার আধা ঘণ্টা পর খাবেন তাহলে অ্যাসিডিটি হবে না।

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

          গরমে ইফতারের আদর্শ খাবার

300-250
promo3