নিয়মিত হাঁটুন, সুস্থ থাকুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ২ জুন ২০১৮, ২২:০৬ | আপডেটেড ৩ জুন ২০১৮, ০১:০৬

34047776_10211745111814305_

যন্ত্রের নানা ব্যবহার দৈনন্দিন জীবনে আরাম এনে দিয়েছে বটে, কিন্তু কমিয়ে দিয়েছে কায়িক শ্রম। ন্যূনতম পরিশ্রমের অভাবে মেদ জমছে শরীরে, বাসা বাঁধছে নানা রোগ।

সুস্থ থাকতে হাঁটার কোন বিকল্প নেই বলে মনে করেন বারডেম হাসপাতালের ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী।

তিনি বলেন, “সুস্থ জীবনযাপনের জন্য সুষম খাদ্যাভ্যাস ও শরীরচর্চার কোনো বিকল্প নেই। আর শরীরচর্চার সবচেয়ে ভালা অথচ সহজ উপায় হলো হাঁটা। যেকোনো বয়সে যে কোনো ব্যক্তি দিনের যেকোনো সুবিধামতো সময়ে হাঁটতে পারেন।”

“হাঁটার অভ্যাস শুধু যে আপনার ওজন কমাবে তা-ই নয়, এটা শরীরের সঙ্গে সঙ্গে মনকেও প্রফুল্ল রাখে। তাই সকালে বা বিকালে অন্তত একবেলা নিয়মিত হাঁটার চেষ্টা করুন”, বলেন শুভাগত চৌধুরী।
তাহলে কালকের জন্য বসে না থেকে আজ থেকেই শুরু করুন অন্তত ৩০ মিনিট করে হাঁটা।

ছবি: ফারুখ আহমেদ

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

ইফতারে খাবেন টক দইয়ের যেসব খাবার

তামার পাত্রে রাখা পানি কেন ভাল?

খেতে পছন্দ সোনমের, তবে…

পেটের মেদ ঝরাতে ৫ খাবার

দিনে পানি পান কতটুকু?

প্রিয়াংকার পছন্দ ঘরের খাবার

চকলেট খান না ‘মিস হট চকলেট’

কারিশমা যেভাবে এখনও আকর্ষণীয়

কফি বনাম চা

শরীরচর্চার সঠিক সময় কোনটি?

যোগ দিবসে যোগ সাধনায় হাজারো মুখ

যোগ ব্যায়াম কেন করবেন?

বেশি সময় টিভি দেখেন? সাবধান হোন এখনই

ঘরে জুতা নিয়ে ঢুকছেন তো বিপদ ডাকছেন

শরীরের ঘড়ি ধরে খাবার খাচ্ছেন তো?

ব্যায়াম করবেন তো নজর রাখুন যন্ত্রে

বলিউডের শীর্ষ ৭ নিরামিষভোজী নারী

যে ৭ খাবার ঝকঝকে করবে দাঁত

ক্লান্তিভাবের কারণ কী? কীভাবে হবে দূর?

ওজন কমাতে ডায়েট না শরীরচর্চা?

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3