১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৫ ফাল্গুন ১৪২৫

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages

“পরীক্ষিত ক্যাপসুল দিয়ে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন”

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:০২ | আপডেটেড ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৫:০২

vitamin-a


পরীক্ষিত ক্যাপসুল দিয়ে সারাদেশে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।

শনিবার ঢাকা শিশু হাসপাতালে এ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন শেষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক সংবাদিকদের বলেন, “সারাদেশে আড়াই কোটি শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

 এ বিষয়ে আমরা কোনো ঝুঁকি নিতে পারি না। তাই আমরা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তারপর শিশুদের খাওয়ানো হচ্ছে।”

দেশের প্রত্যন্ত এলাকাসহ সারাদেশে এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ কারণে আজকের দিন ছাড়াও আগামী দুই থেকে তিনদিন চলবে ক্যাম্পেইনটি।

রাতকানা রোগ থেকে রক্ষা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে প্রতি বছর দুবার পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কর্মসূচি জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পালন করে সরকার।

এর আগে গত ১৯ জানুয়ারি তা খাওয়ানোর কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে তা স্থগিতের কথা জানায় জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান।

পরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ভারতীয় একটি কোম্পানির সরবরাহ করা লাল রঙের ক্যাপসুলে সমস্যা ছিল।

আগে বাতিল হওয়া ওষুধের মেয়াদ এ বছরের জুন পর্যন্ত হলেও স্বাস্থমন্ত্রী জাহিদ মালেক বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তারা ঝুঁকি নিয়ে ওই ক্যাপসুলগুলো আর খাওয়াতে চান না।

ওই ঘটনার তদন্তে কী পাওয়া গেছে, তা পরে জানানোর আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, তদন্তে কেউ দোষী হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, গত ক্যাম্পেইনে লাল রঙের ক্যাপসুলগুলো ভারতের একটি কোম্পানির সরবরাহ করা ছিল। আর নীল রঙের ক্যাপসুলগুলো বাংলাদেশের একটি কোম্পানি দিয়েছিল।

এ ক্যাপসুল কেনার কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালে। প্রথমে একটি দেশি ওষুধ কোম্পানিকে ক্যাপসুল সরবরাহের কার্যাদেশ দেওয়া হলে এর  বিরুদ্ধে আদালতে যায় ‘অ্যাজটেক’ নামে ভারতীয় কোম্পানিটি।

আদালত ওই ভারতীয় কোম্পানিকে ক্যাপসুল সরবরাহের কাজ দেওয়ার নির্দেশ দিলে এরপর তারা লাল রঙের এই ক্যাপসুল সরবরাহ করে।

বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য নীতিমালা অনুযায়ী, ভিটামিন ‘এ’ এর অভাব পূরণে বছরে দুই বার সম্পূরক খাদ্য হিসেবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।

স্বাস্থমন্ত্রী বলেন, এই কর্মসূাচিতে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সব শিশুদের একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

প্রাণরক্ষাকারী ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবে রাতকানাসহ চোখের অন্যান্য রোগ এবং রক্তশূন্যতাও হতে পারে। এছাড়া শিশুদের বিভিন্ন সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায় ভিটামিন ‘এ’।

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

মেয়ের প্রথম ঋতুচক্র এবং অভিভাবকের করণীয়

300-250
promo3