ব্রাজিলে একদিনেই শনাক্ত ৫৪ হাজারের বেশি

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ২১ জুন ২০২০, ১৮:০৬ | আপডেটেড ২১ জুন ২০২০, ০৬:০৬

corona-virus-final

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের তীব্র ধারাবাহিকতায় ভাঙ্গছে একের পর এক পুরনো সব রেকর্ড। পৃথিবীকে নি:স্ববোধ ও বিষাদে ভরে তোলা এ ভাইরাসে এবার একদিনে আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ ৮১ হাজার মানুষ। গত শুক্রবার দুর্ভাগ্যজনক এই রেকর্ড হয়। ধারণা করা হচ্ছে, লকডাউন ও কড়াকড়ি শিথিলের কারণেই বিশ্বব্যাপি এই নির্মম বাস্তবতা প্রকট হয়ে উঠেছে।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, কভিড-১৯ মহামারি এখন নতুন ও বিপজ্জনক পর্যায়ে রয়েছে। গত শুক্রবার জেনেভায় সদর দপ্তর থেকে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গ্যাব্রিয়েসুস এই সতর্কবার্তা দেন। খবর রয়টার্সের।

গত বৃহস্পতিবার মাত্র একদিনেই দেড় লাখ নতুন রোগী শনাক্তের তথ্য জানিয়ে বিশ্বসংস্থা প্রধান বলেন, বিশ্ব এখন নতুন ও বিপজ্জনক পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। নতুন করোনাভাইরাসটি এখনও দ্রুতগতিতে বিস্তার লাভ করছে। এখন ঝুঁঁকির মধ্যে আছেন বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষ।

ওয়ার্ল্ডওমিটার বলছে, এর আগে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্ত হয়েছিল এক লাখ ৪৬ হাজারের কিছু বেশি লোক। করোনাভাইরাসে গত ২৭ মে থেকে প্রায় প্রতিদিনই সোয়া লাখের বেশি লোক আক্রান্ত হচ্ছে। তবে আক্রান্ত যে হারে বাড়ছে সে হারে মৃত্যু বাড়েনি। এটা প্রায় স্থিতিশীল আছে। যেমন শুক্রবার মারা গেছে ৫০৬৬ জন। তবে প্রতিদিন সুস্থ হওয়ার হার বৃদ্ধি ও সংকটাপন্ন রোগীদের সংখ্যা কমে আসার তথ্য আশার আলো দেখাচ্ছে। এখন প্রায় প্রতিদিনই বিশ্বে লক্ষাধিক লোক সুস্থ হয়ে উঠছেন। এ ছাড়া বিশ্বে মাত্র এক শতাংশ লোক এখন সংকটাপন্ন। বাকি ৯৯ শতাংশ রোগীর সংক্রমণই মৃদু।

এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সার্বক্ষণিক হিসাব রাখা ওয়ার্ল্ডওমিটারের হিসাবে রোববার বিকেল পযর্ন্ত বিশ্বে প্রাণঘাতী এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি মানুষ। এর মধ্যে চার লাখ ৬৭ হাজার জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৪৭ লাখ ৬০ হাজার মানুষ সুস্থ হয়েছেন।

করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত ব্রাজিলে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। শুক্রবার দেশটিতে রেকর্ড ৫৪ হাজারেরও বেশি কভিড-১৯ রোগীর সন্ধান মিলেছে। দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও টানা চতুর্থ দিন এক হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে দক্ষিণ আমেরিকার এ দেশে কভিড-১৯-এ মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৪৯ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণ ছিল ৩৯ হাজার মানুষ।

শুক্রবার পর্যন্ত ব্রাজিলে ১০ লাখ ৩৮ হাজার ৯১৩ জনের কভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্ত ও মৃত্যুতে দক্ষিণ আমেরিকার এ দেশটির উপরে আছে কেবল যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের শনাক্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। মৃত্যু হয়েছে এক লাখ ২১ হাজার ৪২৪ জনের।

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৫১৬ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন। এটাই দেশটিতে একদিনে সর্বোচ্চ সংক্রমণ। এ নিয়ে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা চার লাখ ছাড়িয়ে গেছে। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃত্যু হলো ১৩ হাজার ৩০ জনের। পাকিস্তানেও এদিন রেকর্ডসংখ্যক ১৫৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ রোগে মারা গেছেন মোট ৩৩৮২ জন।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়ার পর নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এখন সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বে এ পর্যন্ত ৮৬ লাখের বেশি কভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে।

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

এমন ভারতবর্ষ দেখেনি কেউ আগে

এমন ভারতবর্ষ দেখেনি কেউ আগে

দেশে করোনায় মৃত্যুর মিছিলে ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ

সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ

কমছে মৃত্যু, বাড়ছে স্বস্তি

খালি হাতেই পার হতে হবে দ্বিতীয় ঢেউ !

সর্বত্রই এখনো অসহায় আত্মসমর্পণ

মৃত্যু পৌণে ১২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে

পৌণে ১২ লাখ মানুষ মারা গেলেন

করোনায় মৃত ৫ হাজার ছাড়ালো

করোনাভাইরাসে পৃথিবীর ৮ লাখ মানুষ নেই

সাড়ে ৭ লাখের বেশি মানুষ মারা গেলেন করোনায়

বিশ্বে একদিনেই ২ লাখ আক্রান্ত

আক্রান্ত ও মৃত্যু বাড়ছেই

নির্ধারিত মুল্যে আইসিডিডিআরবিতে করোনা টেষ্ট

২৪ ঘন্টায় প্রায় ৪ হাজার আক্রান্ত

৩৮ থেকে বেড়ে মৃত্যু ৪৩

সপ্তাহ ধরেই মৃত্যু কমপক্ষে ৩৫

মৃত্যু নেমেছে ৪৫ থেকে ৩৭ জনে

লাখ পার হলো আক্রান্ত

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3