১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ৫ ফাল্গুন ১৪২৫

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages

রাজশাহীতে বাড়ছে ক্যান্সার রোগী, বাড়েনি চিকিৎসক

তারেক মাহমুদ, হেলথ নিউজ | ১৩ জুন ২০১৮, ১৭:০৬ | আপডেটেড ১৪ জুন ২০১৮, ০৫:০৬

Rajshahi-Medical-College-ho

রাজশাহীতে ক্যান্সার রোগীদের সংখ্যা দিন দিনেই বাড়ছে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, নতুন রোগীর সংখ্যা বছরে দাঁড়িয়েছে ১৫০০ এর বেশি।

পুরনো  রোগী আছে  ৬ হাজারের বেশি। রোগী সংখ্যা বাড়লেও সে অনুযায়ী চিকিৎসকের সংখ্যা বাড়েনি। মাত্র ৩ জন চিকিৎসক ও ১ জন মেডিকেল অফিসার নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে চলছে চিকিৎসা সেবা।

রাজশাহী বিভাগে ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র সরকারি পর্যায়ে রয়েছে দুটি, তার মাঝে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বগুড়া মেডিকেল হাসপাতাল আর বে-সরকারি পর্যায়ে সিরাজগঞ্জে রয়েছে ১টি হাসপাতাল।

ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আউটডোর এবং ইনডোর সার্ভিস চালু রয়েছে। বর্তমানে ইনডোর বেড সংখ্যা রয়েছে ৩০টি এবং ডে-কেয়ার ১০টি। প্রতিদিন ২৫ থেকে ৩০ জন রোগীকে এখানে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়।

কিন্তু সবচেয়ে বড় সমস্যা চিকিৎসক সঙ্কট। সেটা রোগীরা যেমন বলছেন, চিকিৎসকরা স্বীকার করছেন।

গোটা রাজশাহীর এবং বিভাগের বাইরে থেকে আসা রোগীদের বর্তমানে চিকিৎসা দিচ্ছেন  মাত্র ৩ জন চিকিৎসক এবং ১ জন মেডিকেল অফিসার।

রামেক হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রাজশাহী মহনপুর থানার মাজেদা বেগম হেলথ নিউজকে বলেন, “কিছুদিন আগেই ঢাকা  থেকে চিকিৎসা নিয়ে এসেছি। চিকিৎসা খরচ তো আছেই, ঢাকায় থাকতে হলে আরও অনেক খরচ হত। তাই কিছু দিন আগেই বাসায় চলে এসেছি। এখন রাজশাহী মেডিকেলে দেখাচ্ছি।”

মাজেদা বেগমের ছেলে সাজেদুর রহমান বলেন, অনেক খরচ হচ্ছে। ঢাকাতে চিকিৎসা করানোর জন্যে নিয়ে গিয়েছিলাম। খরচের পরিমাণ অনেক বেশি ঢাকায়।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. আরিফ  হোসেন হেলথ নিউজকে বলেন, “রোগীদের তুলনায় ডাক্তার অনেক কম এবং হাসপাতালের ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য আরও সরঞ্জাম প্রয়োজন রয়েছে।”

রোগীদের চিকিৎসার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা আমাদের পক্ষ থেকে যা যা করা দরকার তা চেষ্টা করছি।  তবে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে রোগীদের। এমন অনেক রোগী রয়েছে যারা একটু সুফল পেলে অবহেলা শুরু করে। আর এই অবহেলার জন্য মাঝে মাঝে অনেক বড় বড় সমস্যা সৃষ্টি হয়।”

রাজশাহীর ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তথ্যে মতে, মানুষের ক্যান্সারের প্রধান প্রধান অঙ্গগুলো হচ্ছে, ফুসফুস, খাদ্যনালী, পাকস্থলী, লিভার, গডব্লাডার, জিহ্বা, স্বরযন্ত্র, লিম্ফোমা বা ল্যাসিকাগ্রন্থি। আর নারীদের বিশেষভাবে আক্রান্ত হয় স্তন ও জরায়ু মুখ।

ক্যান্সারের লক্ষণগুলোর বিষয়ে চিকিৎসকরা বলেন, সার্বিকভাবে ক্যান্সারের সাতটি বিপদ সঙ্কেত রয়েছে। সাধারণ চিকিৎসা না নেওয়ার পরও ২ সপ্তাগের বেশি স্থায়ী হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সাতটি সঙ্কেতের মধ্যে রয়েছে খুসখুসে কাশি বা ভাঙ্গা কণ্ঠস্বর, অনেক দিন হয়ে যাওয়ার পরও শরীরের সহজে সারে না এমন কোনো ক্ষত, স্তনে বা শরীরের কোথাও চাকা পিণ্ডের সৃষ্টি হওয়া, খেতে গিয়ে ঢোক গিলেতে অসুবিধা, অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ, মলমূত্র ত্যাগের অভ্যাসের পরিবর্তন, তিল বা আঁচিলের কোনো সুস্পষ্ট পরিবর্তন।

ক্যান্সারের চিকিৎসার তিনটি পদ্ধতি রয়েছে, সার্জারি বা অস্ত্রোপচার, কেমোথেরাপি বা ওষুধ প্রয়োগ এবং বিকিরণ বা রেডিয়েশন থেরাপি।

রাজশাহীতে দীর্ঘদিন ধরে সার্জারি এবং কেমোথেরাপি চিকিৎসা থাকলেও হচ্ছিল না রেডিও থেরাপি। রেডিও থেরাপির যন্ত্রটি দীর্ঘদিন ধরে অকেজো অবস্থায় ছিল।

এখন কোবাল্ট-৬০ মেশিনটি ঠিক করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ক্যান্সার বিভাগের প্রধান অসীম কুমার ঘোষ।

তিনি হেলথ নিউজকে বলেন, “দীর্ঘদিন ব্র্যাকিথেরাপী মেশিন কোবাল্ট-৬০ চালু ছিল না। কিন্তু অতি দ্রুতই তা চালু হবে।”

রোগীর তুলনায় চিকিৎসকের সংখ্যা কম স্বীকার করেই ডা. অসীম বলেন, তারা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

রামেক হাসপাতালে ক্যান্সারের চিকিৎসক তৈরিতে বর্তমানে এমডি অনকোলজি কোর্স চালু রয়েছে বলে জানান তিনি।

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

মেয়ের প্রথম ঋতুচক্র এবং অভিভাবকের করণীয়

300-250
promo3