রাজশাহীতে বেসরকারি চিকিৎসা সেবায় দুর্ভোগ

তারেক মাহমুদ, রাজশাহী প্রতিনিধি, হেলথ নিউজ | ৩ অক্টোবর ২০১৮, ২৩:১০ | আপডেটেড ৩ অক্টোবর ২০১৮, ১১:১০

Raj-Private-hosital

রাজশাহীতে ব্যাঙের ছাতার মতো ক্লিনিক-হাসপাতাল গড়ে উঠলেও চিকিৎসা সেবা নিয়ে রোগীদের দুর্ভোগের শেষ নেই।

অভিযোগ এসেছে, চিকিৎসকের কাছে গেলে অপ্রয়োজনেও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থাপত্র ধরিয়ে দেওয়া হয়। চেম্বারে চিকিৎসকদের দেখাতে সিরিয়াল দিতে রোগীকে নিয়ে যাওয়ার ভোগান্তির পাশাপাশি দালালদের দিতে হয় টাকা।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, রাজশাহীতে বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের অন্তর্ভুক্ত ১০০টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর বাইরেও রয়েছে নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত অসংখ্য ক্লিনিক।

তবে সুপরিচিত কিংবা নামকরা চিকিৎসকরা যেসব ক্লিনিকগুলোতে বসেন, সেখানে সিরিয়াল পেতে ভোগান্তি বেশি বলে রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ।

বেশিরভাগ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসকরা রোগী দেখেন বিকালের দিকে। কিন্তু সিরিয়াল দিতে হয় ভোরের দিকে।

কুষ্টিয়ার দৌলতদিয়া থেকে মেহেদি হাসান নামে একজন তার মায়ের মস্তিষ্কজনিত সমস্যার জন্য আসেন রাজশাহীতে। সিরিয়াল দিতে হবে বলে মাকে নিয়ে একদিন আগেই রাজশাহীতে পৌঁছাতে হয়েছে তাকে। মেহেদি ভোর থেকে অসুস্থ মাকে নিয়ে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অপেক্ষা করছিলেন। কারণ চিকিৎসক কফিল উদ্দিনের সিরিয়াল পেতে স্বয়ং রোগীকে উপস্থিত হতে হয়।

বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সিরিয়াল পেতে এই ধরনের ভোগান্তিতে পড়তে হয় রোগীদের।

কী কারণে এই ভোগান্তি- খুঁজতে গিয়ে ক্লিনিকগুলোর কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, আগে সিরিয়াল দেওয়ার পরও অনেক রোগী আসত না, সেটা যাতে না ঘটে সেইজন্য এই পদ্ধতি। এখন সিরিয়াল দেওয়ার সময়ই রোগীর কাছ থেকে টাকা নিয়ে নেওয়া হয়।

নওগাঁর আত্রাই থেকে চিকিৎসা নিতে এসেছেন শাওন আহমেদ। তার দুই বছরের বাচ্চা এখনও কথা বলতে শিখেনি। গেলেন শিশু বিশেষজ্ঞ বেলাল আহমেদের কাছে।

তিনি পুরো কথা না শুনেই এক গাদা টেস্ট লিখে দিলেন বলে শাওনের অভিযোগ। তার ভাষ্য, শিশুটির সমস্যা কী, কত গভীর, কীভাবে ভালো হবে, তার কিছুই জানলেন না চিকিৎসক।

প্রায় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে রোগীদের অভিযোগ, তারা রোগীর রোগের ধরন ও বর্ণনা ভালোমতো না শুনেই একগাদা টেস্ট লিখে দেন। এতে গরিব ও মধ্যবিত্ত রোগীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয় বেশি।

অথচ মেডিকেল বোর্ডের নির্দেশনায় রয়েছে, রোগের প্রকৃতি ও রোগীকে বুঝতে একজন চিকিৎসকের কমপক্ষে ৩৫ মিনিট সময় দেওয়া উচিত। সেখানে মাত্র দুই মিনিটে একজন রোগীকে কীভাবে দেখা সম্ভব? এছাড়া রোগীর কাছ থেকে উচ্চহারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বাবদ টাকা নেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে ক্লিনিকদের বিরুদ্ধে।

তবে এসব বিষয়ে বক্তব্য চেয়ে বারবার ফোন দেওয়া হলেও ফোন ধরেননি রাজশাহী সিভিল সার্জন ডা. সনজিত কুমার সাহা।

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

এমন ভারতবর্ষ দেখেনি কেউ আগে

এমন ভারতবর্ষ দেখেনি কেউ আগে

দেশে করোনায় মৃত্যুর মিছিলে ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ

সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ

কমছে মৃত্যু, বাড়ছে স্বস্তি

খালি হাতেই পার হতে হবে দ্বিতীয় ঢেউ !

সর্বত্রই এখনো অসহায় আত্মসমর্পণ

মৃত্যু পৌণে ১২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে

পৌণে ১২ লাখ মানুষ মারা গেলেন

করোনায় মৃত ৫ হাজার ছাড়ালো

করোনাভাইরাসে পৃথিবীর ৮ লাখ মানুষ নেই

সাড়ে ৭ লাখের বেশি মানুষ মারা গেলেন করোনায়

বিশ্বে একদিনেই ২ লাখ আক্রান্ত

আক্রান্ত ও মৃত্যু বাড়ছেই

নির্ধারিত মুল্যে আইসিডিডিআরবিতে করোনা টেষ্ট

২৪ ঘন্টায় প্রায় ৪ হাজার আক্রান্ত

৩৮ থেকে বেড়ে মৃত্যু ৪৩

ব্রাজিলে একদিনেই শনাক্ত ৫৪ হাজারের বেশি

সপ্তাহ ধরেই মৃত্যু কমপক্ষে ৩৫

মৃত্যু নেমেছে ৪৫ থেকে ৩৭ জনে

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3