২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১১ বৈশাখ ১৪২৬

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages

শিশুদের স্থূলতায় কথারও প্রভাব!

ডেস্ক রিপোর্ট, হেলথ নিউজ | ২৫ মে ২০১৮, ১২:০৫ | আপডেটেড ২ জুন ২০১৮, ০১:০৬

16722591_

বেশি খাবেন তো মোটা হবেন- সেটাই তো স্বাভাবিক; জীবনাচরণও স্থূলতার কারণ হতে পারে বলে গবেষণায় মিলেছে; কিন্তু এখন শিশুদের মুটিয়ে যাওয়ার সঙ্গে বাবা-মা কিংবা অভিভাবকের বারণ করার একটি সম্পর্ক আবিষ্কার করেছেন গবেষকরা।

আমাদের মতো দেশে এখনও না হলেও যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশে শিশুদের স্থূলতা বা মুটিয়ে যাওয়া বড় সমস্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে; ফলে এ নিয়ে গবেষণাও চলছে ভুরি ভুরি।

নিউট্রিশন এডুকেশন অ্যান্ড বিহেভিওয়ার সাময়িকীতে প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণা প্রতিবেদনে ভাষার ব্যবহার ও শৈশবকালীন স্থুলতায় তার ভূমিকা পর্যালোচনা করা হয়।

কী খাওয়া উচিত বা উচিত নয়- সে বিষয়ে সন্তানদের সঙ্গে কীভাবে কথা বললে তাদের খাদ্যাভ্যাসে প্রভাব পড়ে তা জানার চেষ্টা করেছেন গবেষকরা। আর যা তারা জানতে পেরেছেন, তা হল- বাবা-মা কীভাবে কথা বলছে, তা যেমন সন্তানের আচরণে প্রভাব ফেলে, তেমনি প্রভাব ফেলে তাদের খাদ্যাভ্যাসেও।

শিশু বিশেষজ্ঞ ড. মেগান পেশচের নেতৃত্বে মিশিগান ইউনিভার্সিটির গবেষক দল গবেষণার জন্য ৪-৮ বছর বয়সী বেশ কিছু শিশু ও তাদের মা বা দেখাশোনাকারীদের রেকর্ড করা ২৩৭টি ভিডিও পর্যালোচনা করেন। এই শিশুদের দেখাশোনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা ছিলেন মূলত নিম্ন আয়ের পরিবারের।

শিশুগুলোকে তাদের মা বা কেয়ারটেকারসহ একটা কক্ষে রাখা হয়। একইসঙ্গে দেওয়া হয় চকলেট কাপকেকসহ বিভিন্ন ধরনের খাবার।

ভিডিওচিত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, স্থুলকায় শিশুদেরকে যারা দেখাশোনা করেছেন তাদের মধ্যে ৯০ শতাংশই কথা বলেছেন সরাসরি ভাষায়। যেমন- ‘শুধু একটাই খাবে’, ‘তুমি দুটোই খাচ্ছ? খেয়ো না’।

অন্যদিকে স্বাস্থ্যকর ওজনের শিশুদের মায়েদের ভাষা ছিল পরোক্ষ। যেমন- ‘অনেক খেয়েছ’, ‘এখনও রাতের খাবার খাওনি’।

সাধারণত দেখা যায়, শৃঙ্খলা বা ঘুম নিয়ে শিশুদের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাষায় কথা বললে তা ফলপ্রসূ হয়। আর এ গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের ক্ষেত্রে বিষয়টি পুরো উল্টো।

শিশুকে অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে দূরে রাখতে বাবা-মার সরাসরি নিষেধাজ্ঞার প্রভাব নিয়ে করা এটাই প্রথম গবেষণা বলে মনে করেন ড. মেগান।

তবে এ গবেষণার বেশ কিছু সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়েছেন গবেষকরা। এর মধ্যে একটা হলো, শিশুদের যারা দেখাশোনা করছে, তারা জানত যে ভিডিও করা হচ্ছে। এজন্য তারা তাদের আচরণ পরিবর্তন করেও থাকতে পারে। আরেকটি সীমাবদ্ধতা হলো, অংশগ্রহণকারীরা ছিল একটি শ্রেণি অর্থাৎ নিম্ন আয়ের পরিবারের।

গবেষকরা মনে করছেন, এ গবেষণাটা যেহেতু একদম প্রথম, তাই চূড়ান্ত ফলাফল আসার আগে এ বিষয়ে আরও কাজ করা প্রয়োজন।

ড. মেগান বলেন, “সন্তানদের সুষম খাদ্যভ্যাস গড়ে তুলতে বাবা-মার কী করা উচিত, তার যথাযথ উত্তর খুঁজে পাব বলে আশা করছি আমরা।”

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

              শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য, কী করবেন?

300-250
promo3