শিশুর স্থূলতা থেকে লিভারের সমস্যা

ডেস্ক রিপোর্ট, হেলথ নিউজ | ৯ জুন ২০১৮, ২৩:০৬ | আপডেটেড ৯ জুন ২০১৮, ১১:০৬

16722591_

তিন বছর বয়সে কোমরের মাপ অনেক বেড়ে গেলে আট বছর বয়সে গিয়ে অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারে আক্রান্ত হতে পারে শিশু।

৬৩৫ জন শিশুর ওপর গবেষণা চালিয়ে এটা দেখেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকরা।

তারা লিভার বা যকৃতের এএলটি নামক এনজাইমের ব্লাড লেভেল পরীক্ষা করেন। এএলটির মাত্রা বেড়ে যাওয়াকে লিভারের ক্ষতির কারণ হিসেবে ধরা হয়, নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারসহ লিভারের অন্য রোগের জন্যও এটি দায়ী।

গবেষণায় দেখা যায়, স্বাভাবিক ওজনের শিশুদের চেয়ে ৮ বছর বয়সী স্থূল শিশুদের ৩৫ শতাংশেরই এএলটির মাত্রা বেশি ছিল।

কলাম্বিয়ায়ার ভাগেলস কলেজ অব ফিজিশিয়ান অ্যান্ড সার্জনসের সহকারী অধ্যাপক জেনিফার উবাইডাল বলেন, “শিশুদের চিকিৎসা করতে গিয়ে দেখেছি, স্থূলতার জন্য অনেক শিশুই নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

“অনেক বাবা-মাই জানেন যে, স্থূলতার জন্য টাইপ টু ডায়াবেটিসসহ আরও নানা ধরনের রোগ হতে পারে। কিন্তু স্থূলতার জন্য যে শিশুদেরও লিভারের সমস্যা হতে পারে, তা অনেকেরই অজানা।”

লিভারে প্রচুর চর্বি জমে প্রদাহ সৃষ্টি হয়ে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি এসিড তৈরি হয়, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় লিভার। যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮ কোটি মানুষ এ রোগে আক্রান্ত। শিশু ও কিশোররা দীর্ঘমেয়াদী যেসব রোগে বেশি আক্রান্ত হয় তার মধ্যে এটি অন্যতম।

সাধারণত এ রোগের কোনো লক্ষণ না থাকলেও এটা থেকে লিভার সিরোসিস, এমনকি ক্যান্সারও হতে পারে।

তবে তা এড়ানো কঠিন নয়। অধ্যাপক উবাইডাল বলেন, “এ রোগ এড়ানোর উপায় হল ওজন কমানো, প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণের পরিমাণ কমানো ও নিয়মিত শরীরচর্চা করা।”

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3