২৪ মার্চ ২০১৯, ১০ চৈত্র ১৪২৫

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages

সন্তান লালন-পালনে ৫টি পরামর্শ

ডেস্ক রিপোর্ট, হেলথ নিউজ | ২৫ মে ২০১৮, ১৩:০৫ | আপডেটেড ২ জুন ২০১৮, ১১:০৬

33312456_10216233710935120_

ভালো থাকুক শিশুটি- সেটা সব বাবা-মারই চাওয়া; তবে সব ভালো হতে শেষটা যেন ভালোই হয়, সেজন্য বাবা-মাকেও কিছু জানতে হয়। 

প্রায় ২০ বছর আগে সন্তান লালন-পালনের ক্ষেত্রে সংস্কৃতিগত পার্থক্য বিষয়ে গবেষণা করে শিশু বিশেষজ্ঞ লিসা লুইস কিছু পদ্ধতি বের করেছেন, যেগুলো শিশুর জন্য উপকারী।

তিনি গবেষণায় পেয়েছেন, সংস্কৃতি ভেদে সন্তান লালন-পালনের ধরনেও পার্থক্য থাকে। বিভিন্ন সংস্কৃতি পর্যালোচনা করে শিশু লালন-পালন বিষয়ে পাঁচটি পরামর্শ দিয়েছেন ড. লুইস।

১. শিশুকে নিজের সঙ্গে ঘুমাতে দিন

লেবাননের এ চিকিৎসক যখন নিজে মা হলেন, তিনি তার নিজস্ব সংস্কৃতি অনুযায়ী শিশুর ঘুমের জন্য আলাদা বিছানার ব্যবস্থা করলেন। এ পদ্ধতিতে শিশুরা বাবা-মার সঙ্গে এক বিছানায় নয়, বরং পাশে ঘুমাত। এক বিছানায় ঘুমালে আকস্মিক শিশু মৃত্যুর ঘটনার আশঙ্কা থাকে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাবা-মারা সম্পূর্ণ আলাদাভাবে তাদের শিশুদেরকে ঘুমিয়ে দিত।

ড. লুইসের মতে, আমরা এমন এক সংস্কৃতিতে বেড়ে উঠেছি যেখানে মনে করা হয় শিশুকে ঘুমিয়ে দেওয়ার জন্য এই একটাই পদ্ধতি রয়েছে। কিন্তু আসলে তা নয়।

২. শিশুকে মসলা ও সুগন্ধযুক্ত খাবার দিন

শিশুকে নরম ও চটকানো খাবার খাওয়ানো উচিত বলে মনে করেন বাবা-মারা। তবে সারা বিশ্ব ঘুরে ও বিভিন্ন দেশের সন্তান লালন-পালনের অভিজ্ঞতার আলোকে ড. লুইস জেনেছেন, একদম ছোট বয়স থেকেই শিশুরা বিভিন্ন ধরনের স্বাদযুক্ত খাবার খেতে পারে।

তিনি বলেন, “অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার দেওয়া ঠিক নয়। তবে শুরু থেকেই তাদেরকে বিভিন্ন গন্ধ ও স্বাদযুক্ত খাবার খেতে দিলে তারা ভালোভাবে তা খাবে।”

বিভিন্ন স্বাদ ও মসলার খাবার খেতে উৎসাহিত করতে শিশুদের খাবারে দই যুক্ত করতে ও খাবারটা খুব শক্ত না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

এক্ষেত্রে একাডেমি অব নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েটেটিকসের পুষ্টিবিদ তামারা মেলটন বলেন, খুব ছোট বেলা থেকেই শিশুকে নানা ধরনের খাবারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলে খাবার না খেতে চাওয়ার যে সমস্যা শিশুদেরও মধ্যে থাকে তা আর ঘটবে না।

৩. শিশুর ব্যবহৃত পণ্যের প্রতি খেয়াল রাখা

এ বিষয়ে এখনও গবেষণা অব্যাহত থাকলেও যেসব রাসায়নিকের সংস্পর্শে শিশুরা আসে এবং তা তাদের মস্তিষ্কে কী প্রভাব ফেলতে পারে, সে বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ড. লুইস।

সানস্ক্রিন লোশনে সুগন্ধি ও বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান থাকায় এটার ব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।

বিভিন্ন সংস্কৃতি পর্যলোচনা করেন লুইসের মতে, এ পণ্যটি ব্যবহার না করে এর পরিবর্তে জিঙ্ক অক্সাইড বা নারিকেল তেল ব্যবহার করা ভালো। কারণ এটা ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিরাপদ।

৪. নবজাতককে পানি খাওয়ানো যেতে পারে

আমেরিকান একাডেমিক অব পেডিয়াট্রিকস নবজাতকদের পানি না দেওয়ার পরামর্শ দিলেও ড. লুইস বলেন, “আমি অনেক মাকেই দেখেছি শিশুকে পানি দিতে, কারণ তারা মনে করে এটা দরকার।

“হয়ত তারা শিশুর শরীর আর্দ্র রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করতে চাইছে। অথবা তারা মনে করছে, পানি দিয়ে শিশুর জিহ্বা পরিষ্কার করা প্রয়োজন।”

অন্য সংস্কৃতির মায়েদের কথা উল্লেখ করে তিনি শিশুকে দিনে দুবার ১০  মিলিলিটার পরিমাণ পানি (এর বেশি নয়) দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

৫. শিশুর চাই ভালোবাসা

যুক্তরাজ্যে থাকার সময় ড. লুইস টেডি বিয়ার সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হন। বাবা-মার কাছ থেকে আলাদা থাকার ফলে শিশুদের মধ্যে যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়, তা দূর করতে এই টেডি বিয়ারের আমদানি।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে টেডি বিয়ার সংস্কৃতিকে সাদরে গ্রহণ করা হলেও অন্য দেশ এ বিষয়টিকে অন্যভাবে বিবেচনা করে। অনেক সংস্কৃতিতে সন্তানকে নিজের কাছ থেকে কখনই আলাদা করেনা বাবা-মারা।

ড. লুইস বলছেন, ইন্দোনেশিয়া ও অন্যান্য দেশে শিশুকে প্রথম বছর কোল থেকেই নামানো হয় না।

তিনি মনে করেন, বাবা-মার জানা উচিত যে শিশুর জন্য খুব সাধারণ জিনিস প্রয়োজন, আর তা হলো খাবার, স্বাস্থ্য সেবা, আশ্রয় ও অনেক অনেক ভালাবাসা।

সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

  মেনোপজের পর সতর্ক থাকতে হবে যে বিষয়ে

300-250
promo3