২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১১ বৈশাখ ১৪২৬

Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages

সাদা মুড়ি খুঁজছি, স্বাস্থ্যের কথা কি ভাবছি?

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ১৮ মে ২০১৮, ১৪:০৫ | আপডেটেড ৪ জুন ২০১৮, ১১:০৬

Puffedv-rice

রমজানে ইফতারে অন্যতম প্রধান খাবার হল মুড়ি। আর সেই মুড়ি কিনতে গিয়ে আমরা বেশিরভাগ সময়ই ধবধবে সাদা মুড়িই খুঁজি। এই সাদার আড়ালে কী, সেটা কি ভেবে দেখছি?

সারা বছরের তুলনায় রোজার মাসে মুড়ির চাহিদা বহুগুণ বেড়ে যায় বলে অসাধু ব্যবসায়ীরাও তার সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ক্রেতাদের কাছে মুড়িকে ‘আকর্ষণীয়’ করতে কারখানা মালিকরা ভাজার সময় চালের সঙ্গে মিশিয়ে দেন ইউরিয়া, সোডিয়াম কার্বনেট ও সালফার। এতে মুড়ি হয় ধবধবে সাদা।

এই মুড়িতে সমস্যা কী?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউরিয়া দিয়ে ভাজা এই মুড়ি মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

ন্যাশনাল লিভার ফাউন্ডেশনের অব বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী হেলথ নিউজকে বলেন, এসব রাসায়নিক খাবারে ব্যবহারের কারণে মানবদেহে ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।

“এটি খাবারের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করে স্টমাকের ক্ষতি করে। রক্তে মিশে গিয়ে লিভার, কিডনিসহ বিভিন্ন অঙ্গের ক্ষতি করে।”

 এই মুড়ি চেনার উপায় কী?

বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুননাহার নাহিদ হেলথ নিউজকে বলেন, মুড়ির চাল সাধারণত দুবার সিদ্ধ করা হয়। আর এ কারণে মুড়ির চাল লালচে হয়।

“তাই লালচে রঙের মুড়ি দেখলে বুঝতে হবে এতে রাসায়নিক নেই। আর যে মুড়ি চকচকে দেখায় তা রাসায়নিক মেশানো।”

তাই কেনার আগে সচেতন হন; আর জানেনই তো চকচক করলেই সোনা হয় না!

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

              শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য, কী করবেন?

300-250
promo3