১০ লাখে একজন ফিজিয়াট্রিস্ট!

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ২১:১১ | আপডেটেড ১৮ নভেম্বর ২০১৮, ০৯:১১

Mymensing-Medical-College1

দেশের প্রায় ১৭ কোটি মানুষের মধ্যে প্রতি চারজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের একজন মাংসপেশি, হাড়জনিত ও বিভিন্ন স্নায়ুরোগে ভুগছে। এই ২৫ শতাংশের মধ্যে ১০ শতাংশ ভুগছে হাঁটুর ব্যথায়।

অথচ প্রতি ১০ লাখ মানুষের জন্য মাত্র একজন ফিজিয়াট্রিস্ট রয়েছেন, যা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল।

সম্প্রতি এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এতথ্য তুলে ধরেন বিশেষজ্ঞরা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শহীদ ডা. মিলন হলে ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব  ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডা. মুহিবুর রহমান রাফি, অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মশিউর রহমান খসরু।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, বর্তমানে দেশের ১৪টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফিজিয়াট্রিস্ট চিকিৎসক রয়েছে। এর মধ্যে ৫টি প্রতিষ্ঠানে পূর্ণাঙ্গ বিভাগ রয়েছে। তাই প্রতিটি জেলায় ফিজিক্যাল মেডিসিন এ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ তৈরি করা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, “একজন ফিজিয়াট্রিস্টই পারেন অক্ষম ব্যক্তিদের সার্বিক উন্নতির মাধ্যমে কর্মক্ষম করতে এবং রোগীর সামগ্রিক চিকিৎসার নির্দেশনা দিতে।”

বিএসএমএমইউর ফিজিক্যাল মেডিসিন এ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. মো. তছলিম উদ্দিন বলেন, ফিজিয়াট্রিস্টরা সার্বিক রোগ নির্ণয় করেন এবং ওষুধের পাশাপাশি অন্যান্য মডালিটি ব্যবহার করে সহযোগী দক্ষ জনবল নিয়ে গঠিত রিহ্যাব টিমের মাধ্যমে পরিপূর্ণ চিকিৎসা ও রিহ্যাবিলিটেশন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। এমনকি রিহ্যাব টিম গঠনের মাধ্যমে ফিজিয়াট্রিস্টরা বাতব্যথা রোগ, পক্ষাঘাতগ্রস্ত সহ অন্যান্য ধরণের আঘাত প্রাপ্ত অক্ষম রোগীদের শারীরিক মানসিক এবং সামাজিক পুনর্বাসন করে থাকেন। “এক্ষেত্রে ফিজিয়াট্রিস্টরা টিম লিডারের ভূমিকা পালন করে। এই টিমে কারা অন্তর্ভুক্ত হবেন, তা ফিজিয়াট্রিরা নির্ধারণ করেন।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক ডা. মো. এ কে এম সালেক, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ, অধ্যাপক শামসুন্নাহার, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেলী রহমানসহ অন্যরা।

তারা বলেন, বর্তমানে ফিজিয়াট্রিরা আরও আধুনিক ও উন্নত চিকিৎসা যেমন স্টেম সেল থেরাপি, ওজন থেরাপি, পিআরপি থেরাপি এবং রোবটিক্স করছেন। এর ফলে বিভিন্ন জটিল রোগ অপারেশন ছাড়াই ভালো করা সম্ভব হচ্ছে।

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

এমন ভারতবর্ষ দেখেনি কেউ আগে

এমন ভারতবর্ষ দেখেনি কেউ আগে

দেশে করোনায় মৃত্যুর মিছিলে ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ

সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ

কমছে মৃত্যু, বাড়ছে স্বস্তি

খালি হাতেই পার হতে হবে দ্বিতীয় ঢেউ !

সর্বত্রই এখনো অসহায় আত্মসমর্পণ

মৃত্যু পৌণে ১২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে

পৌণে ১২ লাখ মানুষ মারা গেলেন

করোনায় মৃত ৫ হাজার ছাড়ালো

করোনাভাইরাসে পৃথিবীর ৮ লাখ মানুষ নেই

সাড়ে ৭ লাখের বেশি মানুষ মারা গেলেন করোনায়

বিশ্বে একদিনেই ২ লাখ আক্রান্ত

আক্রান্ত ও মৃত্যু বাড়ছেই

নির্ধারিত মুল্যে আইসিডিডিআরবিতে করোনা টেষ্ট

২৪ ঘন্টায় প্রায় ৪ হাজার আক্রান্ত

৩৮ থেকে বেড়ে মৃত্যু ৪৩

ব্রাজিলে একদিনেই শনাক্ত ৫৪ হাজারের বেশি

সপ্তাহ ধরেই মৃত্যু কমপক্ষে ৩৫

মৃত্যু নেমেছে ৪৫ থেকে ৩৭ জনে

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3