দেশে চাই ১৬০টি ক্যান্সার হাসপাতাল, আছে ১৯টি

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ১০ জুন ২০১৮, ১০:০৬ | আপডেটেড ১০ জুন ২০১৮, ১২:০৬

cancervicon

ক্যান্সারে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়লেও সেই অনুপাতে বিশেষায়িত চিকিৎসালয় নেই বাংলাদেশে।

বছরে দুই লাখ মানুষের ক্যান্সারে মারা যাওয়ার জন্য তাই চিকিৎসার অপ্রতুলতাকেও দায়ী করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় ১৫ লাখ। প্রতিবছর নতুন করে এই মরণ ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে প্রায় আড়াই লাখ মানুষ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, বাংলাদেশে প্রতি ১০ লাখ মানুষের জন্যে ১টি করে ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র থাকা জরুরি।

সেই হিসেবে ১৬ কোটি মানুষের বাংলাদেশে ১৬০টি ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র থাকা দরকার। কিন্তু সেখানে রয়েছে মাত্র ১৯টি। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় রয়েছে দেশের একমাত্র আধুনিক সরঞ্জাম সমন্বিত ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র। বাকিগুলোতে নেই পর্যাপ্ত রেডিওথেরাপি মেশিন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এসব তথ্য তুলে ধরে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোয়াররফ হোসেন হেলথ নিউজকে বলেন, কম খরচে চিকিৎসা পাওয়ায় বেশিরভাগ রোগী ভিড় করছে এই হাসপাতালে।

একজন ক্যান্সার রোগীকে রেডিওথেরাপি দিতে কমপক্ষে ২ মাস সময় লাগার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “যারা গ্রাম থেকে আসে, তাদের পক্ষে দুমাস ঢাকায় পড়ে থাকা প্রায় অসম্ভব। সেজন্য এখন কাছাকাছি সেন্টার দরকার। যে রোগী এখানে আসছে, তার কাছাকাছি যদি ক্যান্সার সেন্টার থাকে, তাহলে সমস্যার অনেকটা সমাধান হয়ে যাবে।”

এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে প্রতি বিভাগে একটি করে ক্যান্সার চিকিৎসা কেন্দ্র তৈরির কাজ চলছে।

ঢাকার মহাখালীতে ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল বিশেষায়িত সরকারি ক্যান্সার হাসপাতাল হিসেবে চিকিৎসা দিচ্ছে। এর বাইরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ মোট ৮টি প্রতিষ্ঠানে এখন ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা হচ্ছে বটে, কিন্তু প্রয়োজনীয় রেডিওথেরাপির আধুনিক যন্ত্রপাতি নেই বললেই চলে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাদ্যে বিষক্রিয়া, পরিবেশ বিপর্যয়, তামাকজাত দ্রব্য সেবন ও সচেতনতার অভাবে বাংলাদেশের অন্তত ১ কোটি ২৭ লাখ মানুষের শরীরে অস্বাভাবিক কোষ দিনে দিনে বাড়ছে। এ থেকে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। এতে আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের ২ কোটি ১৪ লাখ মানুষ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকিতে রয়েছে।

জাপানের ‘জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল অনকোলজি’র প্রতিবেদনসহ নানা গবেষণায় এমন আশঙ্কার চিত্র ফুটে উঠেছে।

বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়দুল্লাহ বাকী ক্যান্সারের চিকিৎসক ও রোগ নিরূপণ কেন্দ্রের অভাবের কথা তুলে ধরেন।

তিনি হেলথ নিউজকে বলেন, দেশে ক্যান্সার চিকিৎসার অবস্থা খুবই খারাপ। এখানে ক্যান্সারের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আছেন মাত্র ১৫০ জনের মতো। তা ছাড়া ক্যান্সার চিকিৎসা নির্ণয়ের জন্য নেই পর্যাপ্ত আধুনিক ব্যবস্থা।

অধ্যাপক বাকীর মতে, প্রাথমিকভাবে শনাক্ত করা গেলে প্রায় ৫০ ভাগ ক্যান্সার রোগীকে সুস্থ করা সম্ভব। কিন্তু সময়মতো চিকিৎসা পাচ্ছেন না বেশিরভাগ রোগী।

চিকিৎসকরা বলছেন, জাতীয় ক্যান্সার ইনস্টিটিউট মূলত গবেষণা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সারাদেশের রোগীর অতিরিক্ত চাপ সামলাতে গিয়ে গবেষণার কাজটিতে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ক্যান্সার চিকিৎসায় জনবল তৈরি কিংবা প্রতিরোধ মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ আগের মতো হচ্ছে না।

বর্তমান বাস্তবতায় বাংলাদেশে যে হারে ক্যান্সার রোগী বাড়ছে এবং ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে- তাতে করে এখন থেকেই ক্যান্সার চিকিৎসায় দক্ষ জনবল তৈরির বিকল্প নেই বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

খাবারে ‘ট্রান্স ফ্যাট’ ২ শতাংশে নামানোর লক্ষ্য

দুধে সীসা, ১০ কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা

সাড়ে ৩ লাখ শিশু এইডসে মৃত্যুর ঝুঁকিতে

ক্যান্সারাক্রান্ত শিশুদের জন্য বিশেষ তহবিলের দাবি

অতিরিক্ত ওজন বাড়াচ্ছে ক্যান্সার: গবেষণা

দুই ক্যান্সার গবেষকের নোবেল জয়

৩টি অভ্যাস করুন, দূরে রাখুন হৃদরোগ

হৃদরোগের ইতিবৃত্ত

ক্যান্সার নিয়ে আশঙ্কার চিত্র

ক্যান্সারের ঝুঁকি সিলেটে বেশি

রক্ত পরীক্ষায় কয়েক মিনিটে ধরা পড়বে ক্যান্সার!

রামেকে ক্যান্সার চিকিৎসায় পুনরায় কোবাল্ট-৬০ মেশিন

যক্ষ্মা গ্রামের চেয়ে শহরে বেশি

উপজেলায় ক্যান্সার হাসপাতাল!

ক্যান্সার রোগীর এক-তৃতীয়াংশই হেড-নেকের

দেশে বছরে ২০ হাজার মৃত্যু হেপাটাইটিসে

কঠিন খবরটি ছেলেকে দেওয়ার কঠিন কাজটি করলেন সোনালী

১০০ শয্যার ক্যান্সার হাসপাতাল হবে ৮ বিভাগে

জনসন অ্যান্ড জনসনকে ৪৭০ কোটি ডলার জরিমানা

নতুন চেহারার সোনালী জানালেন, লড়াইয়ে আছি

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3