কিডনি সুস্থ রাখতে কী খাবেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ৯ জুন ২০২৬, ০০:০৬ | আপডেটেড ৯ জুন ২০২৬, ১২:০৬

serin

কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসের ওপর রেনাল লোড বা কিডনির ওপর চাপ নির্ভর করে। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে পুষ্টির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত।

রেনাল লোড কী 

আমরা যে খাবার খাই, তা থেকে শরীরে বিভিন্ন বর্জ্য তৈরি হয়—যেমন ইউরিয়া, সোডিয়াম, পটাশিয়াম। এগুলো ছাঁকতে (ফিল্টার) কিডনিকে প্রতিনিয়ত কাজ করতে হয়। এই কাজের চাপকেই বলা হয় রেনাল লোড। প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন, লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এই রেনাল লোড বাড়ায়, যে কারণে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

কিডনি সুস্থ রাখার ১০টি টিপস

পর্যাপ্ত পানি পান: প্রতিদিন ৬-৮ গ্লাস (শরীর ও আবহাওয়া অনুযায়ী পানির পরিমাণ বাড়তে পারে)। প্রস্রাব হালকা স্বচ্ছ রঙের থাকলে বুঝবেন পানির পরিমাণ ঠিক আছে।

লবণ কম খাওয়া: দিনে ১ চা–চামচ বা তার কম, শুধু রান্নায় লবণ ব্যবহার করুন। কাঁচা বা ভাজা লবণ পরিহার করুন। অতিরিক্ত লবণ কিডনি ও উচ্চ রক্তচাপের জন্য ক্ষতিকর।

প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়ান: চিপস, ফাস্ট ফুড, ক্যানজাত খাবার বাদ দিন। এগুলোয় লবণ ও রাসায়নিক উপাদান বেশি থাকে।

সুষম খাবার: শাকসবজি, ফল, দেহের ওজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করুন। অতিরিক্ত প্রোটিন (বিশেষ করে লাল মাংস) যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন।

নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা রক্তচাপ ও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ডায়াবেটিস রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: এগুলো কিডনির রোগের প্রধান কারণ। নিয়মিত চেকআপ করুন।

ব্যথার ওষুধ: অকারণে বা চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না।

ধূমপান অ্যালকোহল: এসব এড়িয়ে চলুন। এগুলো কিডনির রক্তপ্রবাহ কমিয়ে দেয়।

ওজন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত ওজন কিডনির ওপর চাপ ফেলে।

নিয়মিত পরীক্ষা: নিয়মিত রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এতে সমস্যা শুরুতেই ধরা পড়ে।

কীভাবে বুঝবেন কিডনি আক্রান্ত

অনেক সময় প্রাথমিক পর্যায়ে লক্ষণ থাকে না। তবে কিছু ক্ষেত্রে নিচের উপসর্গগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

● শরীর ফুলে যাওয়া (পা/মুখ)।

● প্রস্রাবে সমস্যা, প্রস্রাবে ফেনা বা রক্তপাত।

● দুর্বলতা

● ক্ষুধামান্দ্য

মনে রাখতে হবে, কিডনির রোগ হঠাৎ করে হয় না—এটি ধীরে ধীরে বাড়ে। তাই সচেতন হলে বড় জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

বিষয়: ,

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

নার্সিংয়ে ভর্তি, আবেদন ও পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

টঙ্গীতে চালু হলো ‘সুখী সেবা কেন্দ্র’

মশা নিয়ন্ত্রণে থাকবেন সাড়ে ৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বদল

ভিটামিন-এ প্লাস: পাবে সোয়া ২ কোটি শিশু

কুমিল্লা মেডিকেলে চিকিৎসকদের শাটডাউন, ভোগান্তিতে রোগীরা

বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত ২০ শহরের ১৯টিই এশিয়ার

৪১ জেলায় নতুন সিভিল সার্জন

রোজা রেখে পর্যাপ্ত ঘুমানো জরুরি

মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকারক যে খাবার

হত্যার হুমকি সাংবাদিক বোরহানুল হককে

বিএসএমএমইউয়ে অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট চালু

পার্কিনসনের চিকিৎসায় নতুন আশা

জলবায়ু পরিবর্তন: আসছে তীব্র গরম-তাপপ্রবাহ

জুলাই বিপ্লবে আহতদের সুচিকিৎসায় থাকবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

১৪টি হাসপাতাল থেকে শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের নাম বাদ

দিল্লির বায়ুদূষণ ঠেকাতে কৃত্রিম বৃষ্টি নামানোর পরিকল্পনা

ডেঙ্গুতে আরও ১২ জনের মৃত্যু

বিষাক্ত ধোঁয়াশায় আচ্ছন্ন দিল্লি

খালেদা জিয়া স্বাস্থ্যসেবা থেকে মানুষকে বঞ্চিত করেছিল: প্রধানমন্ত্রী

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3