গরুর দুধ-দইয়ে বিপদের খবর

নিউজ ডেস্ক, হেলথ নিউজ | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১৭:০২ | আপডেটেড ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৫:০২

dod

গরুর দুধ ও দইয়ে সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি কীটনাশক ও নানা ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান পাওয়া গেছে এক পরীক্ষায়। সেই সঙ্গে প্যাকেটজাত দুধ ও দইয়েও পাওয়া মাত্রাতিরিক্ত সীসা।

সরকারি প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির (এনএফএসএল) গবেষণায় এই বিপজ্জনক চিত্র পাওয়া গেছে বলে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সংস্থাটি জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) আর্থিক সহায়তায় গাভির খাবার, দুধ, দই ও প্যাকেটজাত দুধ নিয়ে এই জরিপের কাজ করেছে।

এনএফএসএল জানায়, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গাভির দুধের ৯৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ঢাকাসহ তিন জেলার ছয়টি উপজেলাসহ ১৮টি স্থান থেকে দুধের পাশাপাশি অন্যান্য নমুনাও সংগ্রহ করা হয়। দইয়ের নমুনা ঢাকা শহরের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের দোকান ও আশপাশের উপজেলার দোকান থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

গবেষকেরা বলছেন, প্রায় সব গোখাদ্যে সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। কীটনাশকও মিলেছে কোনো কোনো খাবারে। সিসা ও ক্রোমিয়ামও আছে।

সীসা ও ক্রোমিয়াম ক্যানসার সৃষ্টি করার পাশাপাশি মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।

জরিপে গোখাদ্যের ৩০টি নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এর মধ্যে কীটনাশক (২ নমুনায়), ক্রোমিয়াম (১৬টি নমুনায়), টেট্রাসাইক্লিন (২২টি নমুনায়), এনরোফ্লোক্সাসিন (২৬টি নমুনায়), সিপ্রোসিন (৩০টি নমুনায়) এবং আফলাটক্সিন (৪টি নমুনায়) গ্রহণযোগ্য মাত্রার চেয়ে বেশি।

গরুর দুধের ৯৬টি নমুনার মধ্যে ৯ শতাংশ দুধে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কীটনাশক, ১৩ শতাংশে টেট্রাসাইক্লিন, ১৫ শতাংশে সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি মাত্রায় সীসা পাওয়া যায়। ৯৬ শতাংশ দুধে মিলেছে বিভিন্ন অণুজীব।

প্যাকেটজাত দুধের ৩১টি নমুনায় ৩০ শতাংশে সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি হারে আছে টেট্রাসাইক্লিন। একটি নমুনায় সীসা মিলেছে। একই সঙ্গে ৬৬ থেকে ৮০ শতাংশ দুধের নমুনায় বিভিন্ন অণুজীব পাওয়া গেছে।

দইয়ের ৩৩টি নমুনা পরীক্ষা করে একটিতে সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি সীসা পাওয়া গেছে। আর ৫১ শতাংশ নমুনায় মিলেছে বিভিন্ন অণুজীব।

এনএফএসএলের এই গবেষণা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক লুৎফুল কবির প্রথম আলোকে বলেছেন, যেসব উপাদান পাওয়া গেছে, এর মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিকের উপাদানই বেশি—টেট্রাসাইক্লিন, এনরোফ্লোক্সাসিন, সিপ্রোসিন ও আফলাটক্সিন অ্যান্টিবায়োটিক। এগুলো সহনীয় মাত্রার চেয়ে বেশি পাওয়ার অর্থ হলো এগুলো যেকোনো বয়সী মানুষের শরীরে ঢুকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দেবে।

তিনি বলেন, “গরুর দুধে এবং প্যাকেটজাত দুধে সীসা ও ক্রোমিয়াম পাওয়াটা ভয়ংকর সংবাদ। এসব দ্রব্য মানবশরীরে প্রবেশের চূড়ান্ত পরিণতি ক্যানসার।”

দুধ ফুটানোর পর কিছু কিছু অণুজীব নষ্ট হতে পারে, কিন্তু অ্যান্টিবায়োটিক, কীটনাশক বা সীসা নষ্ট হয় না।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ওবায়দুর রব প্রথম আলোকে বলেছেন, যেসব অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে সেগুলো গোখাদ্যের মাধ্যমেও আসতে পারে। আবার গরু মোটাতাজা করার জন্য যেসব ওষুধ দেওয়া হয় সেগুলোর মাধ্যমেও আসা সম্ভব।

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যেন পিকনিক না হয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ওসমানী মেডিকেলে ‘ধর্ষণ’ তদন্তে কমিটি

রোগীর স্বজনকে ধর্ষণ: ইন্টার্ন চিকিৎসক আটক

মানসিক অসুস্থতার মিথ্যা সনদে জেল-জরিমানা

জনসন অ্যান্ড জনসনকে ৪৭০ কোটি ডলার জরিমানা

ভিটামিন এ ক্যাম্পেইনে কমেছে রাতকানা রোগী

নিঃশব্দ ঘাতক হয়ে আসছে যৌনরোগ ‘এমজি’

জন্মনিয়ন্ত্রণ ‘থমকে’ আছে

বিএসএমএমইউতে ৪৫ বিভাগে নতুন চেয়ারম্যান

চিকিৎসা সেবায় ধর্মঘট ডাকাকে ‘অন্যায়’ বলল হাইকোর্ট

চট্টগ্রামে হাসপাতাল ধর্মঘট স্থগিত

চট্টগ্রামে ম্যাক্সকে জরিমানার পর হাসপাতালে সেবা বন্ধ

চট্টগ্রামে ওয়াসার পানি পরীক্ষার নির্দেশ

রাইফার মৃত্যু: চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রীর নির্দেশ

ম্যাক্স হাসপাতালকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা বন্ধ

সিলেটে বন্যা পরবর্তী রোগ এড়াতে তৎপর প্রশাসন

লাশ লুকানোর চেষ্টা, ব্যর্থ হয়ে উধাও সবাই!

ম্যাক্স হাসপাতালের দুই চিকিৎসক চাকরিচ্যুত

রাইফার মৃত্যুতে ম্যাক্স হাসপাতালের ‘গাফিলতি’

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3