চিকিৎসার ব্যয় বেড়েই চলেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৮:১২ | আপডেটেড ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ০৬:১২

population-grouth-2

চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে বাংলদেশের মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে গিয়ে প্রতিবছর ১ কোটি ১৪ লাখের বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্যের জন্য রাষ্ট্রীয় আর্থিক নিরাপত্তাব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বাড়ছে।

সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জন ও টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট পূরণে জাতিসংঘের সদস্যদেশগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সম্পর্কে এই তথ্য দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটির দক্ষিণ–পূর্ব অঞ্চলের ১১টি দেশ নিয়ে ‘হালনাগাদ ২০১৯’ তথ্য প্রকাশ করেছে তারা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে দেখা যায়, সেবা পরিস্থিতি ও আর্থিক সুরক্ষা দুটি ক্ষেত্রেই বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভালো নয়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১১টি দেশের মধ্যে শুধু পূর্ব তিমুরের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান ভালো।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বলতে প্রত্যেক নাগরিক প্রয়োজনের সময় মানসম্পন্ন সেবা পাবে। আর্থিক অসামর্থ্যের কারণে কেউ সেবা থেকে বঞ্চিত হবে না। আবার সেবার ব্যয় মেটাতে গিয়ে কেউ নিঃস্ব হবে না বা তার অবস্থান দারিদ্র্যসীমার নিচে যাবে না।

আর্থিক সুরক্ষা পরিস্থিতি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, বাংলাদেশ সরকার জিডিপির মাত্র ৩ দশমিক ৪ শতাংশ খরচ করে স্বাস্থ্য খাতে। আর চিকিৎসাসহ স্বাস্থ্যসেবা খাতে যত খরচ হয়, তার ৭২ শতাংশ যায় ব্যক্তির পকেট থেকে। বাকি ২৮ শতাংশ খরচ করে সরকার, এনজিও ও দাতা সংস্থা।

ব্যক্তির নিজস্ব ব্যয় বাড়লে, দরিদ্র বা মধ্যবিত্ত মানুষ চিকিৎসা নেওয়া থেকে বিরত থাকে অথবা চিকিৎসা নিতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়। দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করা মানুষের হার কমে প্রায় ২০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, চিকিৎসার ব্যয়ভার মেটাতে গিয়ে প্রতিবছর ৭ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিম্নমানের আর্থিক সুরক্ষার ইঙ্গিত দেয়।

পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে

২০১২ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট স্বাস্থ্য অর্থায়ন কৌশলপত্র তৈরি করে। ২০১২-২০৩২ সাল মেয়াদি ওই কৌশলপত্রে বলা হয়েছিল, ২০৩০ সালের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে ব্যক্তির নিজস্ব ব্যয় কমিয়ে ৩২ শতাংশ করা হবে। তখন ব্যক্তির নিজস্ব ব্যয় ছিল ৬৪ শতাংশ। এরপর ২০১৫ সালে তা বেড়ে হয় ৬৭ শতাংশ। আর বর্তমানে ৭২ শতাংশ। অর্থাৎ ব্যক্তির নিজস্ব ব্যয় দিন দিন বাড়ছে, তা কমার কোনো লক্ষণ নেই।

ওই কৌশলপত্র তৈরির সময় স্বাস্থ্য ব্যয়ের ২৬ শতাংশ বহন করত সরকার। বলা হয়েছিল, ব্যয়ে সরকারের অংশ ক্রমেই বাড়িয়ে ২০৩২ সালে ৩০ শতাংশ করা হবে। বাস্তব পরিস্থিতি অন্য রকম দেখা যাচ্ছে। মোট ব্যয়ে ক্রমেই সরকারের অংশ কমছে। বর্তমানে তা ২৩ শতাংশ।

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

কঠিন খবরটি ছেলেকে দেওয়ার কঠিন কাজটি করলেন সোনালী

মাদকবিরোধী সাইকেল শোভাযাত্রা করবে এপেক্স বাংলাদেশ

‘ঘুষ ছাড়া চলে না’ ঢাকার সিভিল সার্জন অফিস

১০০ শয্যার ক্যান্সার হাসপাতাল হবে ৮ বিভাগে

সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যেন পিকনিক না হয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ওসমানী মেডিকেলে ‘ধর্ষণ’ তদন্তে কমিটি

রোগীর স্বজনকে ধর্ষণ: ইন্টার্ন চিকিৎসক আটক

মানসিক অসুস্থতার মিথ্যা সনদে জেল-জরিমানা

জনসন অ্যান্ড জনসনকে ৪৭০ কোটি ডলার জরিমানা

ভিটামিন এ ক্যাম্পেইনে কমেছে রাতকানা রোগী

নিঃশব্দ ঘাতক হয়ে আসছে যৌনরোগ ‘এমজি’

জন্মনিয়ন্ত্রণ ‘থমকে’ আছে

বিএসএমএমইউতে ৪৫ বিভাগে নতুন চেয়ারম্যান

চিকিৎসা সেবায় ধর্মঘট ডাকাকে ‘অন্যায়’ বলল হাইকোর্ট

চট্টগ্রামে হাসপাতাল ধর্মঘট স্থগিত

চট্টগ্রামে ম্যাক্সকে জরিমানার পর হাসপাতালে সেবা বন্ধ

চট্টগ্রামে ওয়াসার পানি পরীক্ষার নির্দেশ

রাইফার মৃত্যু: চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রীর নির্দেশ

ম্যাক্স হাসপাতালকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা বন্ধ

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3