ডেঙ্গু: ৬২% রোগী ঢাকার বাইরের

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ৮ আগস্ট ২০২৩, ২১:০৮ | আপডেটেড ৮ আগস্ট ২০২৩, ০৯:০৮

dengue

সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২৭৪২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন; এক দিনে মৃত্যু হয়েছে আরও ১৩ জনের।  

নতুন রোগীদের মধ্যে ১৭৪০ জন, অর্থাৎ ৬২ দশমিক ৭৩ শতাংশই ঢাকার বাইরের। ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০০২ জন।

সব মিলিয়ে এ বছর হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭২ হাজার ২২৫ জনে। তাদের মধ্যে ৩৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে মশাবাহিত এ রোগে।

অগাস্টের প্রথম ৮ দিনেই ২০ হাজার ৩৯৩ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এই সময়ে ৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, অর্থাৎ প্রতিদিন ১০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর আসছে ডেঙ্গুতে।

বাংলাদেশে এর আগে কেবল ২০১৯ সালের এর চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছিল। আর মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়েছে এবারই প্রথম।

ভর্তি রোগী ও মৃত্যুর এই সংখ্যা সামনে আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের।

মঙ্গলবার সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৯ হাজার ৪৬৩ জন রোগী ভর্তি আছেন। তাদের মধ্যে ঢাকায় ৪ হাজার ৪৮২ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলায় ৪ হাজার ৯৮১ জন।

এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হয়েছিল বর্ষা মৌসুমের আগেই। ভরা বর্ষায় জুলাই মাসে তা ভয়ঙ্কর রূপ নেয়।

জুলাই মাসের ৩১ দিনেই হাসপাতালে ভর্তি হন ৪৩ হাজার ৮৫৪ জন রোগী, মৃত্যু হয় ২০৪ জনের। এক মাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর এই সংখ্যা এ বছরের মোট সংখ্যার ৬০ শতাংশ।

এছাড়া জানুয়ারিতে ৫৬৬ জন, ফেব্রুয়ারিতে ১৬৬ জন, মার্চে ১১১ জন, এপ্রিলে ১৪৩ জন, মে মাসে এক হাজার ৩৬ জন এবং জুনে ৫ হাজার ৯৫৬ রোগী ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।

তাদের মধ্যে জানুয়ারিতে ছয়জন, ফেব্রুয়ারিতে তিনজন, এপ্রিলে দুজন এবং মে মাসে দুজন এবং জুনে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়।

এ বছর এডিস মশা শনাক্তে চালানো জরিপে ঢাকায় মশার যে উপস্থিতি দেখা গেছে, তাকে ঝুঁকিপূর্ণ বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এ অবস্থায় সামনে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও বাড়ার আশঙ্কা করেছেন তারা।

ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ বছর যাদের মৃত্যু হয়েছে, তাদের প্রায় সবাই ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারে ভুগছিলেন এবং শক সিনড্রোমে মারা গেছেন।

এডিস মশাবাহিত এই রোগে আক্রান্ত হয়ে গত বছর ৬২ হাজার ৩৮২ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন, মৃত্যু হয় ২৮১ জনের।

এর আগে ২০১৯ সালে দেশের ৬৪ জেলায় এক লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। সরকারি হিসাবে সে বছর মৃত্যু হয়েছিল ১৭৯ জনের।

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

শিশুকে মোবাইল ফোন থেকে দূরে রাখার উপায়

নকশা বহির্ভূত রেস্তোরাঁর ট্রেড লাইসেন্স বাতিল

ঢাকার বায়ুদূষণ রোধে কেন ব্যবস্থা নয়: হাইকোর্ট

ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৫

দেশ উন্নয়নশীল হলে ‘ওষুধের দাম বাড়বে’

ইমিউন কোষ নিয়ে চীনা গবেষকদের আবিষ্কার

রোহিঙ্গাদের খাদ্যসহায়তা বরাদ্দ কমছেনা

দুদিন পর বাসায় যেতে পারবেন তামিম

হার্ট অ্যাটাক: যে ৬টি লক্ষণে সচেতন হবেন

পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নন তামিম ইকবাল

চিকিৎসকদের জন্য ‘বাংলাদেশ হেলথ সার্ভিসেস’ প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করবে সংস্কার কমিশন

ঈদের ছুটিতে হাসপাতালে সেবা দিতে ১৬ নির্দেশনা

কোলোরেক্টাল ক্যানসার: কোন লক্ষণে সতর্ক হবেন

নার্সিংয়ে ভর্তি, আবেদন ও পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

টঙ্গীতে চালু হলো ‘সুখী সেবা কেন্দ্র’

মশা নিয়ন্ত্রণে থাকবেন সাড়ে ৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবক

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম বদল

ভিটামিন-এ প্লাস: পাবে সোয়া ২ কোটি শিশু

কুমিল্লা মেডিকেলে চিকিৎসকদের শাটডাউন, ভোগান্তিতে রোগীরা

বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত ২০ শহরের ১৯টিই এশিয়ার

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3