বিএসএমএমইউর অধ্যাপক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ৯ এপ্রিল ২০২০, ২১:০৪ | আপডেটেড ৯ এপ্রিল ২০২০, ০৯:০৪

bsmmu

ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) এক অধ্যাপক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

বিএসএমএমইউ  উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার পরীক্ষায় ওই অ্যধ্যাপকের সংক্রমণ ধরা পড়ে।

তিনি বলেন, “তবে তিনি (ওই অধ্যাপক) আমাদের এখান থেকে আক্রান্ত হননি। তিনি বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছিলেন। গত কয়েকদিনে তার সংস্পর্শে যারা যারা এসেছিলেন, তাদের সবাইকে আইসোলেশনে পাঠানোর জন্য বলেছি।”

বিএসএমএমইউ হাসপাতাল লকডাউন করা হবে কিনা এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমাদের পলিসি হচ্ছে তার কক্ষ থেকে যেসব জায়গায় তিনি গিয়েছেন, সেসব কক্ষ ডিজইনফেক্ট করবো।”

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

নতুন শনাক্ত: ২৮ মার্চ-শূন্য, ২৮ এপ্রিল-৫৪৯ জন

মৃত্যু ছাড়ালো দেড়শ

দেশে করোনা সংক্রমণ ৫ হাজার ছাড়াল

পৃথিবীর ২ লাখ মানুষ মারা গেলেন

মৃত্যু ঠেকলো ১৪০ জনে, ২১ ল্যাবে পরীক্ষা শুরু

মৃত্যু বেড়ে ১৩১, নতুন রোগী একদিনেই ৫ শতাধিক

মৃত্যু ১২৭ জনের, আক্রান্ত ছাড়াল ৪০০০

ছুটি বাড়ছে ৫ মে পর্যন্ত

দেশে মৃত্যু বেড়ে ১২০, নতুন আক্রান্ত ৩৯০

ভারতে রাষ্ট্রপতি ভবন কমপ্লেক্সে করোনা রোগী শনাক্ত

আক্রান্ত ৩০০০ ছাড়াল, মৃত্যু ১১০

দেশে মৃত্যু ১০০ ছাড়াল

করোনা মোকাবেলায় বিশেষজ্ঞদের নিয়ে পরামর্শক কমিটি

করোনাভাইরাস: মৃত্যু ৯১, আক্রান্ত ২৪৫৬

করোনাভাইরাস: মৃত্যু ৮৪, আক্রান্ত বেড়ে ২১৪৪

করোনায় আক্রান্ত ৮০ শতাংশের চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

একদিনেই ১৫ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৬৬

পুরো দেশ সংক্রমণের ঝুঁকিতে

আক্রান্ত ৩ শতাধিক, মৃত্যু ১০

করোনাভাইরাসে মৃত্যু বেড়ে অর্ধশত

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3