সর্বত্রই এখনো অসহায় আত্মসমর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ২১ নভেম্বর ২০২০, ১২:১১ | আপডেটেড ২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০১

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের সংখ্যা পৌণে ১৪ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। না দেখা এক নতুন ঘাতকের কাছে পৃথিবীর ১৩ লাখ ৭৭ হাজার জনের বেশি মানুষ হেরে গেলেন। প্রতি ২৪ ঘন্টায় মৃত্যুর গতি তা ১৪ লাখের নিয়েই যেনো নিয়ে চলেছে। সর্বত্রই এখনো অসহায় আত্মসমর্পণ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের সংখ্যা ২১ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। না দেখা এক নতুন ঘাতকের কাছে পৃথিবীর ২১ লাখ ৬৭ হাজারের বেশি মানুষ হেরে গেলেন। সর্বত্রই এখনো মানুষের অসহায় আত্মসমর্পণ।

আর এর মধ্যে ৩ লাখ ৪১ হাজারই বিশ্বের প্রবল প্রযুক্তি ও পরাশক্তির দাবিদার আমেরিকার মানুষ।

সব মিলিয়ে সারা বিশ্বে এ মুহুর্তে এ ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১০ কোটি ৮ লাখ ৩৯ হাজারের বেশি। অবশ্য আশার আলো হয়ে প্রয়োগ শুরু হয়েছে ভ্যাকসিনের। তবে তা কোথাও বড় রকমের স্বস্তি দিতে পারেনি। সেই সাথে শুরু হয়েছে বিশ্বব্যাপি ভ্যাকসিন রাজনীতিও।

আক্রান্তের সবশেষ হিসেবে বিশ্বে শীর্ষ ২ দেশের মধ্যে ঢুকে পড়েছে প্রতিবেশী ভারতের নাম। এ তালিকায় ২০টি দেশের একটি এখন বাংলাদেশও। দেশে এ ঘাতকের কাছে পরাজিত মানুষের সংখ্যা ৮ হাজারের বেশি। আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ৫ লাখ ৯ হাজার ১৪৮ জন। বিশ্বের সব দেশের মতো নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে সংক্রমনের হার বাড়ছে, বাড়ছে মৃত্যুর পরিসংখ্যানও।

গত ১০ এপ্রিল বিশ্বে মৃতের তালিকায় ১ লাখ মানুষের নাম উঠেছিল। এর ঠিক ১৫ দিনের মাথায় ২৫ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে ২ লাখ মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা জানায় যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা মিটার। ঘড়ির কাটার তালে মৃত্যু বেড়েছে। হাহাকার থামেনি কোনো এক দিন বা গভীর রাতের মুহুর্তেও। বরং চলতি শীতে তা সবার শঙ্কার চেয়েও বেশি অবনতির দিকে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

অপরিচিত ও নতুন এ ঘাতকের কাছে মাত্র ৬ মাসেই বিপুল সংখ্যক মানুষের এ পরাজয় ঘটেছে এক অদৃশ্য লড়াইয়ে। কোনো একটি বিশেষ দেশের মানুষ নন, পৃথিবীর ২২৩ দেশ ও অঞ্চলে বিদ্যা-বুদ্ধি-প্রযুক্তির সবার উপরে থাকা দেশগুলোই মৃতের এ তালিকায়, সবার উপরে থেকেই নিজেদের নামগুলো ভাগ করে নিয়েছে। এবং পৃথিবীর আর কোনো প্রাণী নয়, এই ঘাতকের মুল আঘাত এসেছে শুধু মানুষের উপর-ই।

ভাইরাসটির উৎপত্তি চীনে হলেও বর্তমান পৃথিবীর সবচাইতে পরাক্রমশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্র এখন আক্রান্ত আর মৃত্যুর তালিকায় সবার উপরে। এরপর রয়েছে ব্রাজিল, যারা হারিয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬শর বেশি মানুষ।

পিছিয়ে নেই প্রতিবেশী দেশ ভারতও। এ ভাইরাসে পাশের দেশটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি। ১ কোটি ২০ হাজারের বেশি দেহে করোনভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলেও জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। ইরানে ৪৩ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন। যুক্তরাজ্যে মারা গেছেন ৫৪ হাজারের বেশি মানুষ।

নি:শেষ হবার এ তালিকায় আলোড়ন তোলা ইউরোপের অন্যতম প্রাচীন দেশ ইতালিতে আবারও ফিরে এসেছে হাহাকার। মারা গেছেন সাড়ে ৪৮ হাজার মানুষ। স্পেন ও ফ্রান্স হারিয়েছে তার দেশের ৪২ হাজারের বেশি মানুষ। পিছিয়ে থাকেনি বেলজিয়াম, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, সুইডেন, সুইজারল্যান্ডের মতো সর্বাধুনিক উন্নত দেশগুলো।

নানারকম প্রচেষ্টায় পৃথিবীর দেশগুলো একে অপরের থেকে, দেশে দেশে মানুষ মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হলেও বিশ্বে করোনাভাইরাস আক্রান্ত মানুষের সংখ্যায় তার গতি কমায়নি। এখনো ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয় বিশ্বের লাখ মানুষ, এখনো ২৪ ঘন্টায় কোনো দেশে মারা পড়ছে হাজারের বেশি মানুষ। আবার আক্রান্ত বিপুল মানুষের অনেকের অবস্থা ভালো, সুস্থ হয়ে চলেছেন বাড়ির পথে।

ব্রাজিলের গভীর বনাঞ্চল আমাজনের আদিবাসী তরুন থেকে শুরু করে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, প্রিন্স চার্লসও এ ভাইরাসে আক্রান্ত হন। আতঙ্কে শরীরের বিশেষ নমুনা পরীক্ষা করতে বাধ্য হন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও।

করোনাভাইরাসে প্রথমে চীনে, তারপর হংকং, ফিলিপাইন্স ও জাপানে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ইউরোপে প্রথম ব্যক্তি মারা যান গত ১৫ ফেব্রুয়ারি। এরপর প্রথমে সময় নিয়ে পরে তীব্র আঘাতে তা কুপোকাত করে আধুনিক ইউরোপকেই।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম শনাক্তের পর ১৮ মার্চ এ ভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে। অবশ্য দেশে এখন মৃত্যুর তালিকায় ৫ হাজার জনের নাম যুক্ত হয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা মিটারে একটু তাকিয়ে থাকলেই আক্রান্ত ২শ ১০ টি দেশ ও অঞ্চলের কোনো না কোনো জায়গা থেকে এসে সংখ্যা আবার বাড়িয়ে তুলছে।

আক্রান্ত ও মৃত্যুর কাটা অনবরত ঘুরছেই। অবশ্য করোনা মিটার বলছে, এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ কোটি ৪৫ লাখের বেশি।

এদিকে, সবশেষ হিসেবে করোনাভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে ২শ ৯৫ জনের বেশিসহ সারাবিশ্বে প্রায় হাজার বাংলাদেশী মারা গেছেন।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর প্রথম চীনের উহান প্রদেশে এ ভাইরাসটি চিহিৃত হয়। এরপর ধীরে ধীরে তা পৃথিবীর মানুষের জীবনচিত্র নির্মমভাবেই বদলে দিয়েছে।

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

করোনাভাইরাস: স্পেনে মৃত্যু ছাড়িয়েছে ৪ হাজার

করোনাভাইরাসে পুরুষের মৃত্যুঝুঁকি বেশি

চীন থেকে এল টেস্ট কিট-পিপিই

করোনাভাইরাস: সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ জন

করোনাভাইরাস: স্পেনে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭৩৮ জনের

করোনাভাইরাস: আরও একজনের মৃত্যু

মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার রপ্তানি করা যাবেনা

করোনাভাইরাস: মৃত্যু ৪, আক্রান্ত বেড়ে ৩৯

দ্রুতগতির ও করুনা ছাড়া করোনাভাইরাস

দেশে করোনায় মৃত্যু ৩, আক্রান্ত বেড়ে ৩৩

আরও ৩ করোনা রোগী শনাক্ত: আক্রান্তের সংখ্যা ২৭

করোনায় মৃত ব্যক্তির দাফন যেভাবে

করোনাভাইরাস: বাংলাদেশকে প্রতিরোধ সরঞ্জাম দেবেন জ্যাক মা

মৃত্যুর মড়কে আধুনিক ইউরোপ

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে বিশ্বজুড়ে

করোনায় ২২ লাখ মানুষের মৃত্যুর আভাস আমেরিকায়

প্রয়োজনে ‘লকডাউন’ করার পরামর্শ ডব্লিউএইচওর

করোনাভাইরাসে দেশে দ্বিতীয় মৃত্যু

প্রতি ঘন্টায় ২৬ জনের মৃত্যু ইতালিতে

করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে ডব্লিউএইচও’র পরামর্শ

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3