হার্টের রিংয়ের দাম কমল ৪৭ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ১১ জুন ২০২৬, ২১:০৬ | আপডেটেড ১১ জুন ২০২৬, ০৯:০৬
হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহার করা ২৯টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের ৪৯ ধরনের হার্টের রিং বা করোনারি স্টেন্টের দাম কমানো হয়েছে।
চূড়ান্ত মূল্যতালিকায় আমদানি করা বিভিন্ন মডেলের হার্টের রিংয়ের দাম সর্বনিম্ন ১ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৪৭ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতেও এক দফা দাম কমানো হয়েছিল।
মঙ্গলবার ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) এগুলোর পুনর্নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য চূড়ান্ত করে তা মেনে চলতে বলেছে। আদেশের কপি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছেও পাঠিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
আদেশে বলা হয়েছে, গত ১৩ মে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের গঠন করা বিশেষজ্ঞ পরামর্শক কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে স্টেন্টের নতুন এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
ধমনীতে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক ক্রিয়া সচল রাখতে এনজিওপ্লাস্টির মাধ্যমে স্টেন্ট বা করোনারি স্টেন্ট পরানো হয়। প্রচলিত ভাষায় এটি ‘রিং’ হিসেবে পরিচিত।
নতুন তালিকায় ‘সিলিন কাভার্ড স্টেন্ট’ বা রিংয়ের দাম ১ লাখ ৯ হাজার ৮০০ টাকা থেকে কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ হাজার টাকা। এছাড়া ‘ম্যাগমা র্যাপামাইসিন’ রিংয়ের দাম ৩৭ হাজার থেকে কমিয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে। সিআরই-৮ রিংয়ের দাম ৫৬ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
আদেশে ডিজিডিএ বলেছে, সর্বোচ্চ খুচরা দাম অনুসরণ করে স্টেন্ট কেনাবেচা করতে হবে। চিকিৎসা প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। স্টেন্টের নাম, সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ও উৎপাদনকারীর নামসহ ক্যাশ মেমো দিতে হবে। ব্যবহৃত স্টেন্টের প্যাকেটটি রোগীকে সরবরাহ করতে হবে।
বিষয়: special5
নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।
স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু
আঙুর কেন খাবেন?
ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
সব টিপস...
চকলেটে ব্রণ হয়?
এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।
আরও পড়ুন...
ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?
