পৃথিবীর ২ লাখ মানুষ মারা গেলেন

ডেস্ক রিপোর্ট, হেলথ নিউজ | ২৫ এপ্রিল ২০২০, ২২:০৪ | আপডেটেড ২৯ এপ্রিল ২০২০, ০৩:০৪

ITAY-DEATH

অবশেষে সংখ্যাটা ঠিকই দুই লাখ পার হলো। পৃথিবীর কমপক্ষে দুই লাখ মানুষ জীবন দিয়েই পরাজিত হলেন করোনাভাইরাস নামের এক নতুন ঘাতকের কাছে।

গত ১০ এপ্রিল মৃতের তালিকায় ১ লাখ মানুষের নাম উঠেছিল। এর ঠিক ১৫ দিনের মাথায় ২৫ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে ২ লাখ মানুষের মৃত্যুর সংখ্যা জানালো যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা মিটার।

অপরিচিত ও নতুন এ ঘাতকের কাছে মাত্র সাড়ে ৩ মাসেই বিপুল সংখ্যক মানুষের এ পরাজয় ঘটেছে এক অদৃশ্য লড়াইয়ে। ভয়াবহ আতঙ্ক নিয়েই এ মুহুর্তে থেমে আছে বিশ্বের অধিকাংশ যাত্রাপথ। সব দেশে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত শব্দ এখন ‘স্টে হোম বা ঘরে থাকো।’

কোনো একটি বিশেষ দেশের মানুষ নন, পৃথিবীর ২০৮ দেশ ও অঞ্চলে বিদ্যা-বুদ্ধি-প্রযুক্তির সবার উপরে থাকা দেশগুলোই মৃতের এ তালিকায়, সবার উপরে থেকেই নিজেদের নামগুলো ভাগ করে নিয়েছে। এবং পৃথিবীর আর কোনো প্রাণী নয়, এই ঘাতকের মুল আঘাত এসেছে শুধু মানুষের উপর-ই।

ভাইরাসটির উৎপত্তি চীনে হলেও বর্তমান পৃথিবীর সবচাইতে পরাক্রমশালী দেশ যুক্তরাষ্ট্র এখন আক্রান্ত আর মৃত্যুর তালিকায় সবার উপরে।

ইউরোপের প্রাচীন দেশ ইতালী নি:শেষ হবার এ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তারপর ঘাড়ে নি:শ্বাস ফেলছে স্পেন ও ফ্রান্স। আর এক সময় পৃথিবী শাসন করা যুক্তরাজ্যর নামও উপরের দিকেই।

এই ২ লাখের মধ্যে সর্বোচ্চ চারভাগের একভাগ মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্রে, ৫২ হাজার ৩শ ছাড়িয়েছে। এরপরই রয়েছে ইতালি ২৫ হাজার ৯শ ৬৯। তারপর স্পেন ২২ হাজার ৯০২ ও ফ্রান্স ২২ হাজার ২৪৫ জন। যুক্তরাজ্যে মারা গেছেন ২০ হাজারের বেশি মানুষ। 

নানারকম প্রচেষ্টায় পৃথিবীর দেশগুলো একে অপরের থেকে, দেশে দেশে মানুষ মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হলেও বিশ্বে করোনাভাইরাস আক্রান্ত মানুষের সংখ্যায় তার গতি কমায়নি। বরং করুনাহীনভাবে খুব দ্রুতই তা পার হয়ে এখন ২৮ লাখ ৬৪ হাজারের ঘরে।

আক্রান্ত বিপুল মানুষের অনেকের অবস্থা ভালো। একই সাথে বহু মানুষ এখনো লড়ছেন মৃত্যুর সাথে।

ব্রাজিলের গভীর বনাঞ্চল আমাজনের আদিবাসী তরুন থেকে শুরু করে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, প্রিন্স চার্লসও আক্রান্ত এ ভাইরাসে। আতঙ্কে শরীরের বিশেষ নমুনা পরীক্ষা করিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও।

করোনাভাইরাসে প্রথমে চীনে, তারপর হংকং, ফিলিপাইন্স ও জাপানে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ইউরোপে প্রথম ব্যক্তি মারা যান গত ১৫ ফেব্রুয়ারি। এরপর প্রথমে সময় নিয়ে পরে তীব্র আঘাতে তা কুপোকাত করে আধুনিক ইউরোপকেই।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম শনাক্তের পর ১৮ মার্চ এ ভাইরাসে প্রথম মৃত্যুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসে।

যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা মিটারে একটু তাকিয়ে থাকলেই আক্রান্ত ২শ ৬ টি দেশ ও অঞ্চলের কোনো না কোনো জায়গা থেকে এসে সংখ্যা আবার বাড়িয়ে তুলছে।

আক্রান্ত ও মৃত্যুর কাটা অনবরত ঘুরছেই। অবশ্য করোনা মিটার বলছে, এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮ লাখ ১৬ হাজারের বেশি।

১ মার্চ প্রথম ব্যক্তি মারা গেলেও বিশ্বের সবদেশকে ছাপিয়ে আক্রান্তের তালিকায় এখন সবার ওপরে যুক্তরাষ্ট্র। কারণ এ মুহুর্তে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই আক্রান্ত ৯ লাখ ২৯ হাজারের বেশি।

ফলে করোনা ভাইরাস কতটা করুনাহীন তা কফিনের লম্বা সারি বেঁধে টের পাচ্ছে ইউরোপও। তবে আগের চেয়ে সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা একটু কমেছে। তবে তার আগে ইউরোপ নি:স্ব হয়েছে ১ লাখের বেশি মৃত্যু নিয়ে।

প্রাচীন সভ্যতার ধারক এ মহাদেশের ইতালি যেনো এ মৃত্যুর নেতৃত্ব দিচ্ছে। এরপর আছে স্পেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, জার্মানি, নেদারল্যান্ড, সুইডেন, সুইজারল্যান্ডের মতো সর্বাধুনিক উন্নত দেশগুলো।

এদিকে প্রতিবেশী দেশ ভারতে এ ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৮০ তে। ২৪ হাজারের বেশি দেহে করোনভাইরাস শনাক্ত হয়েছে বলেও জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।  ইরানে ৫ হাজার ৬৫০ জন মারা গেছেন

আক্রান্ত বাড়ছে এশিয়ার দেশ জাপান ও পাকিস্তানেও। জাপানে ৩৪৫ মারা গেছেন। পাকিস্তানে মারা গেছেন ২৫৬ জন। নতুন করে এ ভাইরাসে মৃত্যু বাড়ছে  ইসরাইলেও। আক্রান্ত ১৫ হাজারের বিপরীতে মারা গেছে ১৯৮ জন।

এদিকে, সবশেষ হিসেবে করোনাভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে ১শ ৮৯ জনের বেশিসহ সারাবিশ্বে প্রায় ৪ শতাধিক বাংলাদেশী মারা গেছেন।

দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সর্বশেষ এক ভাষণে এর ভয়াবহতা স্বীকার করে বলেছেন, তারপরও সামনে দিকে দিকে সুড়ঙ্গের শেষ মাথায় আলো দেখতে পাচ্ছেন। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশটিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা জারি করেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যর শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসক ও গবেষকরা আশঙ্কা করছেন,করোনাভাইরাসের এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে ৬ মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

ফলে সব হিসেব, সব আন্দাজ, সব আহবান উপেক্ষা করেই দুনিয়াব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। এবং কদিন আগের চেয়ে অবিশ্বাস্য ও দ্রুতগতিতে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আবারো বলেছে, করোনা থেকে বাঁচতে সহজ কোনো পথ খোলা নেই। শুধু তাই নয়, তারা মনে করছে এই ভাইরাস দীর্ঘস্থায়ীও হতে পারে। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর প্রথম চীনের উহান প্রদেশে এ ভাইরাসটি চিহিৃত হয়।

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

এমন ভারতবর্ষ দেখেনি কেউ আগে

এমন ভারতবর্ষ দেখেনি কেউ আগে

দেশে করোনায় মৃত্যুর মিছিলে ১১ হাজারেরও বেশি মানুষ

সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ

কমছে মৃত্যু, বাড়ছে স্বস্তি

খালি হাতেই পার হতে হবে দ্বিতীয় ঢেউ !

সর্বত্রই এখনো অসহায় আত্মসমর্পণ

মৃত্যু পৌণে ১২ লাখ ছাড়িয়ে গেছে

পৌণে ১২ লাখ মানুষ মারা গেলেন

করোনায় মৃত ৫ হাজার ছাড়ালো

করোনাভাইরাসে পৃথিবীর ৮ লাখ মানুষ নেই

সাড়ে ৭ লাখের বেশি মানুষ মারা গেলেন করোনায়

বিশ্বে একদিনেই ২ লাখ আক্রান্ত

আক্রান্ত ও মৃত্যু বাড়ছেই

নির্ধারিত মুল্যে আইসিডিডিআরবিতে করোনা টেষ্ট

২৪ ঘন্টায় প্রায় ৪ হাজার আক্রান্ত

৩৮ থেকে বেড়ে মৃত্যু ৪৩

ব্রাজিলে একদিনেই শনাক্ত ৫৪ হাজারের বেশি

সপ্তাহ ধরেই মৃত্যু কমপক্ষে ৩৫

মৃত্যু নেমেছে ৪৫ থেকে ৩৭ জনে

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3