আয়ু মিলবে দেড়শ বছর!

নিউজ ডেস্ক, হেলথ নিউজ | ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২৩:০৯ | আপডেটেড ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১:০৯

age-hand

অমরত্ব পাওয়ার জন্য মানুষের চেষ্টা সুদূর অতীত থেকে; এই স্বপ্ন ধরার চেষ্টায় আছেন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক।

তাদের গবেষণা সফল হলে ঠেকিয়ে দেওয়া যাবে বার্ধক্য। গবেষকরা বলছেন, তারা সফল হলে মানুষ দেড়শ বছর পর্যন্ত আয়ু পেতে পারবে।

বিবিসি জানিয়েছে, বর্তমানে ইঁদুরের উপর পরীক্ষা চালিয়ে গবেষকরা সফল হয়েছেন। এখন চেষ্টা চলছে মানবদেহে প্রয়োগের। ২০২০ সালের মধ্যেই হয়ত তা করা যাবে।

যুগান্তকারী এই গবেষণায় নেতৃত্বদাতা ড. ডেভিড সিনক্লেয়ার হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের ওয়েবসাইটে বলেছেন বার্ধক্য ঠেকানোর চিকিৎসায় তাদের আশাবাদের কথা।

তিনি বলেন, “আমাদের বয়স যখন বাড়ে, তখন আমাদের শরীরের ভেতর যেসব ছোট ছোট রক্তনালী আছে, সেগুলো বুড়িয়ে যেতে থাকে এবং এ পর্যায়ে একদম শুকিয়ে যায়। ফলে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে এবং পেশিকলায় রক্ত প্রবাহ অনেক কমে যায়। মানুষের শরীরের অনেক রোগ-ব্যাধির মূল কারণ কিন্তু এই রক্তনালীর বার্ধক্য।”

গবেষকরা ইঁদুরের উপর পরীক্ষা চালিয়ে এই রক্তনালীর বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করতে পেরেছেন। এই সাফল্যের মানে হচ্ছে, মানুষের অনেক ধরনের রোগ-ব্যাধির নিরাময় এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এই গবেষণার একেবারে কেন্দ্রে আছে রক্তনালী ও মাংসপেশির সম্পর্ক। মানুষের রক্তনালীর ভেতরের দেয়ালে আছে এনডোথেলিয়াল সেল বা কোষের আস্তরণ। রক্তনালীকে সজীব রাখতে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই এনডোথেলিয়াল সেলের বয়স যত বাড়তে থাকে, মানুষের শরীরের রক্তনালী শুকিয়ে যেতে থাকে এবং এক পর্যায়ে একদম মরে যায়। ফলে শরীরের অনেক অংশেই রক্তপ্রবাহ কমে যায়। তখন শরীরের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ এবং পেশির কার্যক্ষমতা কমে যায়।

মানুষ যখন নিয়মিত শরীর চর্চা বা ব্যায়াম করে, তখন এই প্রক্রিয়া কিছুটা থমকে দেওয়া যায়। কিন্তু সেটার একটা সীমা আছে। একটা বয়সের পর শরীর চর্চা করেও আর লাভ হয় না। রক্তনালীর মৃত্যু ঠেকানো যায় না।

ড. সিনক্লেয়ার বলেছেন, তারা এই রক্তনালীর বুড়িয়ে যাওয়ার রহস্য উদঘাটন করেছেন।

এনএডি নামের একটি মলিকিউল এবং সার্ট-ওয়ান নামের একটি প্রোটিন মূলত এক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করে। রক্তনালীতে এই এনএডির মূল কাজ হচ্ছে সার্ট-ওয়ান এর উপস্থিতি বাড়ানো। আর সার্ট-ওয়ান রক্তনালী এবং পেশীকলার মধ্যে সংযোগ ঘটায়। কিন্তু বয়স যত বাড়ে, রক্তনালীর মধ্যে এই এনএডি এবং সার্ট-ওয়ান, দুটিই কমতে থাকে। ফলে রক্তনালী এবং মাংসপেশির মধ্যে যোগাযোগও কমতে থাকে।

সিনক্লেয়ার এবং তার সহকর্মীরা ইঁদুরের ওপর যে গবেষণা চালিয়েছেন, সেখানে তারা এনএমএন নামের একটি রাসায়নিক যৌগ প্রয়োগ করেন ইঁদুরের দেহে। এই এনএমএন ইঁদুরের রক্তনালীতে এনএডি’র মাত্রা বাড়ায়। এর পরিণামে সার্ট-ওয়ান নামের প্রোটিনের পরিমাণও বৃদ্ধি পায়। ফলে ইঁদুরের রক্তনালীর এনডোফেলিয়াল সেলগুলো খুবই কর্মক্ষম থাকে, যা পেশিতে রক্তপ্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করে।

যেসব বয়স্ক ইঁদুরের উপর এই গবেষণা চালানো হয়, তাদের ক্ষেত্রে নাটকীয় সাফল্য পেয়েছেন গবেষকরা। তাদের শারীরিক সক্ষমতা ৮০ শতাংশ বেড়ে গেছে।

সিনক্লেয়ার বলছেন, “যারা এখন বার্ধক্যের কারণে আর শরীরচর্চা করতে পারেন না, বা চলাফেরা করতে পারেন না, তাদের জন্য এই গবেষণা এক বিরাট পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে।”

বিজ্ঞানীরা বলছেন, রক্তনালীর ভেতরে রক্ত চলাচল বাড়ানোর জন্য নতুন ধরনের ওষুধ আবিষ্কার সম্ভব হবে এই গবেষণার ভিত্তিতে।

বিষয়: ,

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে ডব্লিউএইচও’র পরামর্শ

দেশে ২০ করোনা রোগীর আরও একজন গুরুতর

করোনা ভাইরাস: আইইডিসিআরে মেইল করুন

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত একই পরিবারের তিনজন

করোনায় বাংলাদেশে প্রথম মৃত্যু

করোনাভাইরাস টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও দুইজন

হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন স্থগিত

নিষেধাজ্ঞার পরও ইউরোপ থেকে ফিরল ৯৫ জন

আরও ৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

৩১ মার্চ পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে যা করতে হবে

করোনা ভাইরাস: রেকর্ড মৃত্যু ইউরোপে

ইউরোপ থেকে বাংলাদেশে আসা বন্ধ হচ্ছে সোমবার

করোনাভাইরাস: শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়নি

বিদেশফেরতদের মসজিদে না আসার অনুরোধ

সার্ক তহবিল গঠনের প্রস্তাব মোদীর

ইউরোপ থেকে ঢাকায় ফ্লাইট আসা বন্ধ

দেশে নতুন আক্রান্ত দুজন ভালো আছেন

সম্পর্কহীন ও থমকে যাওয়া বিশ্ব

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3