থ্যালাসেমিয়ার বিস্তার রোধে নীতিমালা তৈরির নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ২ আগস্ট ২০২৩, ০০:০৮ | আপডেটেড ২ আগস্ট ২০২৩, ১২:০৮

baby1

বংশগত রক্তের রোগ থ্যালাসেমিয়ার বিস্তার বন্ধে নীতিমালা তৈরির জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

আগামী ৩০ দিনের মধ্যে সাত সদস্যের ওই বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করতে হবে। আর কমিটিকে খসড়া নীতিমালা তৈরি করে ছয় মাসের মধ্যে তা দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এক রিট আবেদনের শুনানি করে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুবুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এই আদেশ দেয়।

থ্যালাসেমিয়া রোগের বিস্তার বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছে হাইকোর্ট।

থ্যালাসেমিয়ার বিস্তার ঠেকাতে বিয়ের নিবন্ধন ফরমে বর ও কনের থ্যালাসেমিয়া রোগ সম্পর্কিত তথ্য কেন লিপিবদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় সচিব, স্বাস্থ্য সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সচিব, আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্যের মহাপরিচালকসহ মোট ৮ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এই রোগের বিস্তার রোধে সাধারণ জনগণ, ছাত্রছাত্রী, সরকারি কর্মচারী এবং অন্যান্য পেশাজীবীদের মাঝে প্রচার চালনোরও নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। 

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তস্বল্পতাজনিত রোগ। এটি ছোঁয়াচে নয়, রক্তের ক্যানসারও নয়। তবে এর সহজ কোনো চিকিৎসা এখনও নেই।

মানবদেহে ২৩ জোড়া বা ৪৬টি ক্রোমোজোম থাকে। এ প্রতি জোড়ার অর্ধেক মায়ের আর বাকি অর্ধেক বাবার থেকে আসে।

১৬ নম্বর ক্রোমোজোমে থাকে আলফা জিন আর ১১ নম্বর ক্রোমোজোমে থাকে বিটা জিন। আলফা ও বিটা জিন দুটি আলফা ও বিটা গ্লোবিন নামের প্রোটিন তৈরি করে যা অনেক অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমষ্টি।

জন্মগতভাবে কারও ১৬ বা ১১ নম্বর ক্রোমোজোমের আলফা অথবা বিটা জিন সঠিকভাবে অ্যামাইনো অ্যাসিড তৈরি করতে না পারলে আলফা বা বিটা গ্লোবিন প্রোটিন ত্রুটিপূর্ণ হয়।

আর আলফা বা বিটা গ্লোবিন চেইন ত্রুটিপূর্ণ থাকলে রক্তের লোহিত কণিকার হিমোগ্লোবিন ত্রুটিপূর্ণ হয়। ফলে লোহিত কণিকা দ্রুত ভেঙে যায় এবং রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়।

জিন যেহেতু জোড়ায় জোড়ায় থাকে, একটি জিন ত্রুটিপূর্ণ হলে তাকে বলা হয় থ্যালাসেমিয়া বাহক বা মাইনর। আর দুটি জিনই ত্রুটিপূর্ণ হলে তাকে থ্যালাসেমিয়া মেজর বা রোগী বলা হয়।

থ্যালাসেমিয়ার বাহক হওয়া মানেই থ্যালাসেমিয়ার রোগী নয়।তবে বাবা ও মা দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে সন্তানের থ্যালাসেমিয়ার রোগী হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

এ ধরনের রোগীকে রক্তস্বল্পতার জন্য নিয়মিত রক্ত দিতে হয়। ঘনঘন রক্ত নেওয়ায় ও পরিপাক নালি থেকে আয়রনের শোষণ ক্ষমতা বেড়ে যাওয়ায় শরীরে আয়রনের মাত্রা বেড়ে যায়। তাতে লিভার, হৃৎপিণ্ডসহ অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতি হয়। সঠিক চিকিৎসা ও নিয়মিত রক্ত না নিলে থ্যালাসেমিয়া রোগী মারা যায়।

বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে থ্যালাসেমিয়া রোগের বিস্তার নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) গত ১৫ জুন হাইকোর্টে এই রিট আবেদন করে।

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

করোনাভাইরাস: স্পেনে মৃত্যু ছাড়িয়েছে ৪ হাজার

করোনাভাইরাসে পুরুষের মৃত্যুঝুঁকি বেশি

চীন থেকে এল টেস্ট কিট-পিপিই

করোনাভাইরাস: সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ জন

করোনাভাইরাস: স্পেনে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৭৩৮ জনের

করোনাভাইরাস: আরও একজনের মৃত্যু

মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার রপ্তানি করা যাবেনা

করোনাভাইরাস: মৃত্যু ৪, আক্রান্ত বেড়ে ৩৯

দ্রুতগতির ও করুনা ছাড়া করোনাভাইরাস

দেশে করোনায় মৃত্যু ৩, আক্রান্ত বেড়ে ৩৩

আরও ৩ করোনা রোগী শনাক্ত: আক্রান্তের সংখ্যা ২৭

করোনায় মৃত ব্যক্তির দাফন যেভাবে

করোনাভাইরাস: বাংলাদেশকে প্রতিরোধ সরঞ্জাম দেবেন জ্যাক মা

মৃত্যুর মড়কে আধুনিক ইউরোপ

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে বিশ্বজুড়ে

করোনায় ২২ লাখ মানুষের মৃত্যুর আভাস আমেরিকায়

প্রয়োজনে ‘লকডাউন’ করার পরামর্শ ডব্লিউএইচওর

করোনাভাইরাসে দেশে দ্বিতীয় মৃত্যু

প্রতি ঘন্টায় ২৬ জনের মৃত্যু ইতালিতে

করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে ডব্লিউএইচও’র পরামর্শ

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3