নতুন রোগী শনাক্ত হয়নি: আইইডিসিআর

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ২৯ মার্চ ২০২০, ১৩:০৩ | আপডেটেড ২৯ মার্চ ২০২০, ০১:০৩

corona-virus-final

বাংলাদেশে নতুন করে কারও মধ্যে নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েনি বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট- আইইডিসিআর।

রোববার ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে করোনাভাইরসের সর্বশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় ১০৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে,তাতে কারও মধ্যে সংক্রমণ ধরা পড়েনি। আক্রান্তের মোট সংখ্যা আগের মতই ৪৮ জন আছে।

আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত মোট ১৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এছাড়া কারও মৃত্যুর তথ্য না আসায় মৃতের মোট সংখ্যা আগের মতই পাঁচজন রয়েছে।

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

মৃত্যুর মড়কে আধুনিক ইউরোপ

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে বিশ্বজুড়ে

করোনায় ২২ লাখ মানুষের মৃত্যুর আভাস আমেরিকায়

প্রয়োজনে ‘লকডাউন’ করার পরামর্শ ডব্লিউএইচওর

করোনাভাইরাসে দেশে দ্বিতীয় মৃত্যু

প্রতি ঘন্টায় ২৬ জনের মৃত্যু ইতালিতে

করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে ডব্লিউএইচও’র পরামর্শ

দেশে ২০ করোনা রোগীর আরও একজন গুরুতর

করোনা ভাইরাস: আইইডিসিআরে মেইল করুন

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত একই পরিবারের তিনজন

করোনায় বাংলাদেশে প্রথম মৃত্যু

করোনাভাইরাস টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও দুইজন

হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন স্থগিত

নিষেধাজ্ঞার পরও ইউরোপ থেকে ফিরল ৯৫ জন

আরও ৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

৩১ মার্চ পর্যন্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ

বাড়িতে কোয়ারেন্টিনে যা করতে হবে

করোনা ভাইরাস: রেকর্ড মৃত্যু ইউরোপে

ইউরোপ থেকে বাংলাদেশে আসা বন্ধ হচ্ছে সোমবার

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3