মৃত্যু হাজার পার হলো

নিজস্ব প্রতিবেদক, হেলথ নিউজ | ১০ জুন ২০২০, ১৭:০৬ | আপডেটেড ১০ জুন ২০২০, ০৫:০৬

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত মানুষের সংখ্যা পৌণে ১৪ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। না দেখা এক নতুন ঘাতকের কাছে পৃথিবীর ১৩ লাখ ৭৭ হাজার জনের বেশি মানুষ হেরে গেলেন। প্রতি ২৪ ঘন্টায় মৃত্যুর গতি তা ১৪ লাখের নিয়েই যেনো নিয়ে চলেছে। সর্বত্রই এখনো অসহায় আত্মসমর্পণ।

আগেরদিন ৪৫ থেকে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৭ এ নেমেছে। এরফলে টানা তিনদিন পর ৪০ ঘরে থেকেও নামলো মৃত্যুর পরিসংখ্যান। তবে আগের ৩ হাজার ১৭১ জনের শণাক্তের রেকর্ড ভেঙ্গেছে একদিনেই। স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, গত ২৪ ঘন্টায় এই নীরব ঘাতক দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও তিন হাজার ১৯০ জনের দেহে ঢুকে পড়েছে।

বুধবার দুপুরে কোভিড-১৯ সম্পর্কিত সার্বিক পরিস্থিতি জানাতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা জানান, এ নিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো এক হাজার ১২ জনে। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫৬৩ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৫ হাজার ৮৯৯ জন।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৯৪টি, পরীক্ষা করা হয়েছে ১৫ হাজার ৯৬৫টি। এখন পর্যন্ত চার লাখ ৪১ হাজার ৫৬০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৯১ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩৫ শতাংশ।

নাসিমা সুলতানা জানান, অঞ্চল বিবেচনায় এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ২৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে সাত জন, বরিশাল বিভাগে দুই জন এবং সিলেট, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজন করে রয়েছেন।

মৃত্যুবরণকারীদের বয়স বিশ্লেষণ বলছে, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে সাত জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে পাঁচ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১০ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিন জন, ১১ থেকে ২০ বছরের একজন রয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে ৩৩ জন পুরুষ এবং চার জন নারী রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ২৫ জন এবং বাসায় মারা গেছেন ১২ জন। এখন পর্যন্ত মারা যাওয়া এক হাজার ১২ জনের মধ্যে ৭৭ শতাংশ পুরুষ এবং ২৩ শতাংশ নারী।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে রাখা হয়েছে ৫৩৮ জনকে। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন আট হাজার ২৪৩ জন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশন থেকে ছাড়া পেয়েছেন ১৮৮ জন, এখন পর্যন্ত মোট ছাড়া পেয়েছেন চার হাজার ৭২৩ জন।

এদিকে জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর সিস্টেম সায়েন্সেস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয় বলছে, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত বিশ্বে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৭৩ লাখ ৪২ হাজার ছাড়িয়েছে। এদের মধ্যে মারা গেছে ৪ লাখ ১৪ হাজারের বেশি। আর ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৩৬ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষ। 

বিষয়:

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

ওষুধের আরো ১৭ কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কছাড়

হার্টের রিংয়ের দাম কমল ৪৭ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত

ক্যান্সারসহ ৬ রোগে আক্রান্তদের সহায়তা দ্বিগুণ করার প্রস্তাব

হাম: ইউনিসেফ থেকে টিকা কিনছে সরকার

বাংলাদেশকে ৪০ কোটি ডলার দেবে বিশ্ব ব্যাংক

ডেঙ্গু চিকিৎসায় ৮০% ব্যয় বহন করবে বেসরকারি সেবা প্রতিষ্ঠান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কিডনি সুস্থ রাখতে কী খাবেন

বিশ্বে প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি ভ্যাকসিন, মানবদেহে সফল পরীক্ষা

আদ-দ্বীনে ৬ শিশুর মৃত্যু: ময়নাতদন্ত না হলে বিবাদীর ‘লাভ’, বলছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৫০০ ছাড়াল

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওজন বেড়েছে, কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা

স্তন ক্যান্সারে রোগীর কেমোথেরাপি এড়ানো সম্ভব বলছে গবেষণা

দাবদাহ: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৭ পরামর্শ

ডিএনসিসি কোভিড হাসপাতালে ‘হিট স্ট্রোক সেন্টার’ চালু

রাজশাহীতে তাপমাত্রা কমল ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি

বিদেশে চিকিৎসা: নেওয়া যাবে ১৫ হাজার ডলার

বাজার সিন্ডিকেট ভাঙতে কি স্থায়ী কমিশন হচ্ছে

তাপমাত্রা কমতে পারে, বৃষ্টির পূর্বাভাস

গরমে সুস্থ থাকুন

তাপপ্রবাহ কমবে, আছে বৃষ্টির সুখবর

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3