সাড়ে ৩ লাখ শিশু এইডসে মৃত্যুর ঝুঁকিতে

নিউজ ডেস্ক, হেলথ নিউজ | ২৯ নভেম্বর ২০১৮, ২০:১১ | আপডেটেড ২৯ নভেম্বর ২০১৮, ০৮:১১

Argument-Child

এখন থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বিশ্বে ৩ লাখ ৬০ হাজার শিশু মারা যেতে পারে এইডসে।

জাতিসংঘ সংস্থা ইউনিসেফের বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই আশঙ্কার কথা বলা হয়।

এর অর্থ হচ্ছে, এইচআইভি প্রতিরোধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা প্রকল্পে বাড়তি বিনিয়োগ করা না হলে এই ১২ বছরে প্রতিদিন ৭৬ জন কিশোর-কিশোরীর মৃত্যু হবে।

‘শিশু, এইচআইভি ও এইডস : ২০৩০ সালের বিশ্ব’ শীর্ষক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির বর্তমান ধারা বজায় থাকলে এইচআইভিতে আক্রান্ত ০-১৯ বছর বয়সীদের সংখ্যা ২০৩০ সালের মধ্যে ২ লাখ ৭০ হাজারে পৌঁছাবে, যা বর্তমানের অনুমানের চেয়ে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কম।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইডস-সম্পর্কিত কারণে মারা যাওয়া শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সংখ্যা ভবিষ্যতে কমবে। বর্তমানের ১ লাখ ১৯ হাজার থেকে ২০৩০ সালে তা ৫৬ হাজারে নেমে আসবে।

“তবে এই কমার হার খুবই ধীরগতির, বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে।”

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে জীবনের প্রথম দশকে নতুন করে এইচআইভিতে আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা কমে অর্ধেকে নেমে আসবে। তবে নতুন করে এইচআইভিতে আক্রান্ত ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীর সংখ্যা কমবে মাত্র ২৯ শতাংশ।

এইডস-সম্পর্কিত কারণে ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার ৫৭ শতাংশ কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে ১৫-১৯ বছর বয়সীদের মৃত্যুর হার কমবে ৩৫ শতাংশ।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে জীবনের প্রথম দশকে নতুন করে এইচআইভিতে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা কমে অর্ধেকে নেমে আসবে। তবে নতুন করে এইচআইভিতে আক্রান্ত ১০ থেকে ১৯ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীর সংখ্যা কমবে মাত্র ২৯ শতাংশ।

নোটিশ: স্বাস্থ্য বিষয়ক এসব সংবাদ ও তথ্য দেওয়ার সাধারণ উদ্দেশ্য পাঠকদের জানানো এবং সচেতন করা। এটা চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। সুনির্দিষ্ট কোনো সমস্যার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

দেশে চিকিৎসায় আস্থার অভাব?

হাসপাতালেই হোক প্রাইভেট প্র্যাকটিস, নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

আইসিইউ-সিসিইউ কতটি, খরচ কত: হাই কোর্ট

বায়ু দূষণে ‘হেলথ অ্যালার্ট’ জারির সুপারিশ

স্টেমসেল প্রতিস্থাপনে এইডসমুক্তি!

বাংলাদেশের চিকিৎসকদের দক্ষতার প্রশংসায় দেবী শেঠী

ঠাকুরগাঁওয়ের ৫ মৃত্যুর কারণ নিপা ভাইরাস

মানহীন পানির ৩ কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল

গবেষণার মানব ভ্রূণ ডাস্টবিনে

গুরুত্বপূর্ণ অধিকাংশ হাসপাতাল ‘অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিতে’

মানসিক রোগী বাড়ছে রাজশাহীতে

চিকিৎসকদের প্রাইভেট বাণিজ্য বন্ধে নীতিমালা তৈরির নির্দেশ

দুধ-দই পরীক্ষার নির্দেশ হাই কোর্টের

গরুর দুধ-দইয়ে বিপদের খবর

“পরীক্ষিত ক্যাপসুল দিয়ে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন”

ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানোর নতুন দিন নির্ধারণ

ভেজাল রোধে বিশেষায়িত পরীক্ষাগার হবে: প্রধানমন্ত্রী

অভিযানের পর দিনে থাকছে ডাক্তার, রাতে মিলছে মিলছে না

স্বাস্থ্যের ‘অস্বাস্থ্যকর’ ১১ খাত

দুদকের সুপারিশে স্বাস্থ্যের ২৩ জনকে বদলি

স্বাস্থ্য সেবায় যাত্রা শুরু

আঙুর কেন খাবেন?

ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন। আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

সব টিপস...

চকলেটে ব্রণ হয়?

এই পরীক্ষাটি চালাতে গবেষকরা একদল ব্যক্তিকে এক মাস ধরে ক্যান্ডি বার খাওয়ায় যাতে চকলেটের পরিমাণ ছিল সাধারণ একটা চকলেটের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। আরেক দলকে খাওয়ানো হয় নকল চকলেট বার। চকলেট খাওয়ানোর আগের ও পরের অবস্থা পরীক্ষা করে কোনো পার্থক্য তারা খুঁজে পাননি। ব্রণের ওপর চকলেট বা এতে থাকা চর্বির কোনো প্রভাব রয়েছে বলেও মনে হয়নি তাদের।

আরও পড়ুন...

      ভিটামিন ডির ঘাটতি পূরণে কী করণীয়?

300-250
promo3